খেলাধুলা

ঘরের মাঠে শেষ ম্যাচেও জয়, রংপুরকে হারিয়ে দুইয়ে সিলেট

ঘরের মাঠে শেষটাও দারুণ হলো সিলেট টাইটান্সের। তারকাসর্বস্ব দল রংপুর রাইডার্সকে সহজেই হারালো স্বাগতিকরা। ১৫ বল হাতে রেখে পেলো ৬ উইকেটের জয়।

নবম ম্যাচে মেহেদী হাসান মিরাজের সিলেটের এটি পঞ্চম জয়। ১০ পয়েন্ট নিয়ে তারা চার থেকে উঠে এসেছে দুই নম্বরে। অষ্টম ম্যাচে চতুর্থ হারে চারে নেমে গেছে নুরুল হাসান সোহানের রংপুর।

বোলাররাই অর্ধেক কাজ সেরে রেখেছিলেন। সিলেটের ব্যাটারদের সামনে ছিল সহজ লক্ষ্য, ১১৫ রানের। পারভেজ হোসেন ইমন আর তৌফিক খান উদ্বোধনী জুটিতে ৪০ বলে ৫৪ রান তুলে দেন।

২২ বলে ১ চার আর ৪ ছক্কায় ৩৩ রানের মারকুটে ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন তৌফিক। আরিফুল ইসলাম করেন ২৬ বলে ২১।

শেষদিকে এসে এক ওভারে দুই উইকেট নেন নাহিদ রানা। আফিফ হোসেন (১৫ বলে ১২) আর ইথান ব্রুকস (০) ফেরেন টানা দুই বলে। তবে ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন ইমন। সেইসঙ্গে তার ফিফটিও পূরণ করেন। ৪১ বলে ৫২ রানের ইনিংসে ৩টি করে চার-ছক্কা হাঁকান ইমন।

এর আগে সিলেট টাইটান্সের বোলারদের তোপে সুবিধাই করতে পারেনি রংপুর রাইডার্সের ব্যাটাররা। ১৯.১ ওভারে অলআউট হতে হয়েছে মাত্র ১১৪ রানে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিলেটের আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল রংপুর। সিলেটের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের সিদ্ধান্তকে যথার্থ প্রমাণ করেন তার বোলাররা।

স্কোরবোর্ডে রান যোগ হওয়ার আগেই কাইল মায়ার্সকে তুলে নেয় সিলেট। এরপর ২৭ রানে হারায় ৩ উইকেট। ব্যর্থ হয়েছে অন্য ওপেনার ও আগের ম্যাচে ৯৭ রান করা তাওহিদ হৃদয়ও।

সিলেটের বোলারদের তোপে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১১৪ রানের বেশি করতে পারেনি রাইডার্স। ৬৭ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর পঞ্চম উইকেট হারায় ৭৬ রানে।

২০ রান যোগ হতেই আরও ৪ উইকেট হারিয়ে ১০০-এর আগেই অলআউটের শঙ্কা জাগিয়ে তোলে। তবে সেটি হয়নি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ২৯ রানে। তার রানটাই দলীয় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রংপুরের। রিয়াদের আউটে ১১৪ রানে অলআউট হয় রংপুর ৫ বল আগেই।

রাইডার্সের ৪ ব্যাটার স্পর্শ করতে পেরেছেন দুই অঙ্কের ঘরের রান। ০ রানে আউট হয়েছেন ৩ ব্যাটার। সর্বোচ্চ ৩০ রান করেছেন খুশদিল শাহ। ২২ রান করেছেন লিটন দাস ও ১৭ রান এসেছে ইফতিখার আহমেদের ব্যাটে।

সিলেটের হয়ে ৩টি করে উইকেট পেয়েছেন নাসুম আহমেদ ও শহিদুল ইসলাম। দুটি মঈন আলীর ও একটি সালমান ইরশাদের।

এমএমআর