দেশজুড়ে

মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন দুজন

মানিকগঞ্জ-৩ আসনের দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র আপিলে বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মানিকগঞ্জ-২ আসনের একজনের আপিল শুনানি মুলতবি রাখা হয়েছে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের আপিল বিভাগ এই সিদ্ধান্ত দেয়। বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন-মানিকগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আতা ও আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জনি।

অপরদিকে, মানিকগঞ্জ-২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী এস এম আব্দুল মান্নানের ঋণসংক্রান্ত জটিলতার কারণে যুক্তিতর্কের আপিল শুনানি মুলতবি রাখা হয়েছে।

এর আগে গত ৪ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমুন আরা সুলতানা এই তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জাতীয় পার্টির প্রার্থী এস এম আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আতার ক্ষেত্রে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন তালিকা যাচাই করা হয়। তালিকা থেকে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে ১০ জন ভোটারের তথ্য যাচাই করে অসত্য তথ্য পাওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। এবি পার্টির প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জনির মনোয়নপত্রে সমর্থনকারী স্বাক্ষর না থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়

রিটার্নিং কর্মকর্তার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশন গঠিত আপিল বিভাগে পৃথকভাবে আপিল করেন। আপিল শুনানিকালে প্রার্থীদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ব্যাখ্যা উপস্থাপন করা হয়।

জানা গেছে, আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে। ফলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আর কোনো বাধা রইল না। তবে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর বিষয়টি ঝুলে রইলো।

এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা জাগো নিউজকে বলেন, এখনো আমার কাছে নির্বাচন কমিশন থেকে কোনো মেইল আসেনি। তবে আমি শুনেছি মানিকগঞ্জ -৩ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আতাউর রহমান আতা ও আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জনির মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। মানিকগঞ্জ-২ আসনে খেলাপি ঋণসংক্রান্ত জটিলতার কারণে যুক্তিতর্কের পর জাতীয় পার্টির প্রার্থী এস এম আব্দুল মান্নানের আপিল শুনানি মুলতবি রাখা হয়েছে।

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ও আপিল প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা নির্ধারিত আছে। এরপর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।

মো. সজল আলী/এমএন/এএসএম