দেশজুড়ে

আপিলেও ফেরেনি বিএনপির আইয়ুবের প্রার্থিতা, বৈধ হয়েছে ছেলের মনোনয়ন

ঋণখেলাপির অভিযোগে যশোর-৪ (বাঘারপাড়া, অভয়নগর ও বসুন্দিয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী টি. এস. আইয়ুবের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন এ সিদ্ধান্ত জানায়। তবে বৈধ হয়েছে একই আসনে টি এস আইয়ুবের ছেলে ফারহান সাজিদের মনোনয়ন। সাজিদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন।

ইসি সূত্রে জানা যায়, টি. এস. আইয়ুব সাইমেক্স লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)। পাশাপাশি তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত ৩০ ডিসেম্বর ঢাকা ব্যাংকের পক্ষ থেকে যশোরের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। ব্যাংকটির ধানমন্ডি মডেল শাখার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রিয়াদ হাসান ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার এস. এম. রাইসুল ইসলাম নাহিদ স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে জানানো হয়, ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) তালিকায় টি. এস. আইয়ুব একজন চিহ্নিত ঋণখেলাপি।

ওই চিঠির ভিত্তিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন জানানো হয়। আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মনোনয়ন বাতিলের পূর্বের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। টি. এস. আইয়ুব যশোর-৪ আসনে বিএনপির একজন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই আসনেই টি এস আইয়ুবের ছেলে ফারহান সাজিদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। কিন্তু জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যাচাই বাছাইয়ে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে অনিয়মের অভিযোগে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। ফারহান সাজিদও নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। তার আপিল মঞ্জুর হওয়ায় সাজিদ প্রার্থিতা ফিরে পাচ্ছেন বলে নির্বাচন কমিশন সূত্র নিশ্চিত করেছে।

মিলন রহমান/কেএইচকে/এমএস