বাংলাদেশী যুবক জামাল মাতুব্বর (৩৫) কুয়েতের আহমেদী অপেরা ফার্ম হাউজে চাকরি করতেন। এই ফার্ম হাউজেই গত ১ জানুয়ারি রহস্যজনকভাবে তার মৃত্যু হয়।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় তার নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
জামাল মাতুব্বর ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের রাহুতপাড়া গ্রামের মৃত হামেদ মাতুব্বরের ছেলে। তিনি দুই কন্যা সন্তানের বাবা।
এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জামাল মাতুব্বর গত প্রায় ৮ বছর আগে পাড়ি জমান কুয়েতে। তিন বছর আগে ছুটিতে দেশে আসেন জামাল। চলতি মাসে আবার দেশে আসার কথা ছিল এই প্রবাসী যুবকের।
জামালের স্ত্রী কাকোলি বেগম বলেন, আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে নগদ টাকা ও স্বর্নালংকার নিয়ে গেছে। টাকার জন্যই তাকে হত্যা করে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। আমাদের ধারণা, যারা হত্যা করেছে তারা আমার স্বামীর কাছের মানুষ ছিল। আমি কুয়েতে বাংলাদেশী এম্বাসির কাছে এর সঠিক বিচার চাই। তারা যেন সুষ্ঠু তদন্ত করে আমাদের ন্যায় বিচার পাইয়ে দেন।
পার্শ্ববর্তী তালেশ্বর গ্রামের বাসিন্দা ও কুয়েত প্রবাসী মুন্নু ফকির বলেন, আমি ডিসেম্বর মাসে বাড়ি এসেছি ছুটিতে। জামাল যেখানে থাকতো, সেখান থেকে দেড়শো কিলোমিটার দূরে আমি থাকি। জামাল জানুয়ারিতে বাংলাদেশে আসার কথা বলেছিল।
তিনি আরও বলেন, গত ১ জানুয়ারি ফোন পেলাম জামাল আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা গেছে। ওই দেশের ফায়ার সার্ভিস এসে মরদেহহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়। পরে কুয়েতের পুলিশের মাধ্যমে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠায়, সেখানে ময়নাতদন্তের কাজ শেষে কুয়েতে বাংলাদেশি এম্বাসির মাধ্যমে মঙ্গলবার জামালের মরদেহ দেশে আসে। সেখান থেকে পরিবারের লোকজন জামাল মরদেহ বাড়িতে এনে দাফন কাজ সম্পন্ন করেন।
এন কে বি নয়ন/এমএন/এমএস