রাজধানীতে অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২-এর আওতায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত অভিযোগে ৪৯ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
এর মধ্যে মুগদা থানা ১৮, যাত্রাবাড়ী থানা ১৩, শেরেবাংলা নগর থানা চার ও রূপনগর থানা ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মুগদা থানার বরাত দিয়ে তালেবুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অপারেশন ডেভিল হান্টের অংশ হিসেবে দিনব্যাপী অভিযান পরিচালনা করে ১৮ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতাররা হলেন- মো. মানিক, মো. ওসমান, মো. আল আমিন হোসেন ওরফে ফারহান, মো. রফিকুল ইসলাম শাওন, মো. হৃদয়, মো. মেহেদী হাসান, মো. হেলাল উদ্দিন শুভ, মো. স্বপন, মো. শামীম, মো. গোলাম রাব্বি, চাল্লি রানা, মো. আবির হোসেন, মো. নাসির, মো. নাজমুল হোসেন, মো. উসমান গনি, মো. জনসন মিয়া, মো. মিন্টু মিয়া ও নাজিম উদ্দিন নাজু।
অন্যদিকে যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ একই দিনে থানাধীন বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অপারেশন ডেভিল হান্টের অংশ হিসেবে দিনব্যাপী অভিযান পরিচালনা করে ১৩ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতাররা হলেন- মো. শিশির মিয়া, মো. রাজিব মিয়া, মো. জামাল মাতবর ওরফে তুহিন, মো. শরীফ, মো. শাহীন, শাফি, জয়, মো. রাসেল মিয়া, মো. রাকিব, মো. মনিরুল ইসলাম রাব্বী, মো. সুমন, মো. রিপন হোসেন ও মো. আলী হোসেন।
এছাড়া, শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ একই ধরনের অভিযান পরিচালনা করে চারজনকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন- মো. শাহজাহান, মো. শেখ মোরশেদ, মো. তুহিন ওরফে মরন ইসলাম ও মো. তানভীর হোসেন।
রূপনগর থানার পুলিশ গ্রেফতার করে ১৪ জনকে। তারা হলেন বাঁধন, মো. মাজহারুল ইসলাম, মো. ফিরোজ দেওয়ান, মো. শাহীন, মো. আরিফ জমাদ্দার, মো. হারুন সোয়েল, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. কাজল জমাদ্দার, মো. ইসমাইল, মো. মোতালেব হাওলাদার, মো. সবুজ, মো. আব্বাস আলী, মৃন্ময় ও নুর ইসলাম।
গ্রেফতারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
কেআর/একিউএফ