দেশজুড়ে

মুন্সিগঞ্জে ক্লুলেস ডাকাতির ঘটনায় গ্রেফতার ৪, মালামাল উদ্ধার

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে নৈশ্যপ্রহরীদের মারধর এবং হাত, পা ও মুখ বেঁধে একটি দোকান থেকে প্রায় ৬ লাখ টাকার মালামাল লুটের ক্লুলেস মামলার ঘটনায় ৪ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকায় পৃথক অভিযানে জড়িতদের গ্রেফতার ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- রাজিব বেপারী, মো. সুজন, হাবিব ওরফে জসিম ও জাহিদ হোসেন ওরফে পারভেজ।

জেলা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অভিযুক্ত আসামিরা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৯ নভেম্বর ভোর রাতে মুখোশ পরিহিত ৬ জনের একটি ডাকাতদল ভুয়া নম্বরধারী একটি পিকআপ নিয়ে, শ্রীনগর উপজেলার বীরতারা বাজারে গিয়ে প্রথমেই দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখিয়ে নৈশ্যপ্রহরী শামীম মিয়া ও শওকত শেখকে মারধর এবং হাত, মুখ ও চোখ বেঁধে দোকানের পাশে ফেলে রাখে।

এরপর ডাকাতদল বাজারের মায়ের দোয়া বস্ত্রালয় ও আব্দুল্লাহ ফ্যাশন হাউজ নামের কাপড়ের দোকানের শাটার ভেঙে দোকানে থাকা গজ কাপড়, থান কাপড়, শাড়ি, লুঙ্গি, থ্রি-পিস, বিছানার চাদর, গামছা, শীতের জ্যাকেট, গেঞ্জি ও অন্যান্য রেডিমেট কাপড় এবং নগদ টাকাসহ সর্বমোট ৬ লাখ টাকার মালামাল লুট করে পিকআপ গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে যায়। পরে এ ঘটনায় গত ২২ নভেম্বর নীলচাঁন বাদী হয়ে শ্রীনগর থানার মামলা করেন।

এরপর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ, পরে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে, শ্রীনগর থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে রাজিব বেপারী ও মো. সুজন নামের দুই ডাকাতকে গ্রেফতার করে।

পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের নাম, ঠিকানা সংগ্রহ, ব্যবহৃত গাড়ি আটক করা হয়।

শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা জানান, ঢাকার পোস্তগোলা হাফেজনগর এলাকার রানী শেখের বিল্ডিংয়ের নিচ তলায়, অপর আসামি মো. জাহিদ হোসেন ওরফে পারভেজের কাপড়ের দোকান থেকে লুণ্ঠিত অধিকাংশ মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে, এরপর হাবিব ওরফে জসিম নামের আরেক ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়।

শুভ ঘোষ/এনএইচআর/এমএস