বিনোদন

পরিবারের হাল ধরতেই রানী মুখার্জিকে সিনেমায় দিয়েছিলেন মা

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী রানী মুখার্জি। তিনি তার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারের ৩০ বছর পূর্তি উদযাপন করেছেন। ১৯৯৬ সালে বাংলা সিনেমা ‘বিয়ের ফুল’ এবং বলিউডের ‘রাজা কি আয়েগি বারাত’ দিয়ে শোবিজে পদার্পণ করেন তিনি।

তিন দশক ধরে নিজের অভিনয় দক্ষতা ও ধারাবাহিকতার মাধ্যমে তিনি হয়ে উঠেছেন প্রজন্মের অন্যতম সম্মানিত ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী।

এই উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার যশরাজ ফিল্মস স্টুডিওতে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এর নাম রাখা হয়েছে ‘করণ অ্যান্ড রানী: থার্টি ইয়ারস অব ফিল্মস, ফ্রেন্ডশিপ অ্যান্ড মেমোরিজ’। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পরিচালক করণ জোহর। সেখানে রানী মুখার্জি খোলামেলা কথা বলেন তার শৈশব, বেড়ে ওঠা, পরিবার, চলচ্চিত্রের যাত্রা এবং গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা নিয়ে।

রানী জানান, চলচ্চিত্র পরিবারে জন্ম নেওয়া সত্ত্বেও পরিবারের আর্থিক অবস্থা ততটা ভালো ছিল না। প্রথম হিন্দি সিনেমা ‘রাজা কি আয়েগি বারাত’-এ অভিনয়ের প্রস্তাব আসে তার বাবার বন্ধু প্রযোজক সেলিম আখতারের কাছ থেকে। মায়ের পরামর্শেই তিনি সিনেমায় অভিনয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

রানী বলেন, ‘মা হয়তো আমাদের আর্থিক পরিস্থিতি কিছুটা ভালো করার জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তাদের আশা ছিল, আমি যদি ভালো করি তা আমাদের পরিবারের সবার জন্য ভালো হবে।’

ক্যারিয়ারের শুরুতে কণ্ঠস্বর নিয়ে প্রতিকূলতার মুখোমুখি হন রানী। প্রথম কয়েকটি সিনেমায় তার ডায়লগ অন্য কাউকে ডাবিং করানো হয়। তবে করণ জোহরের ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ সিনেমার মাধ্যমে রানী নিজের কণ্ঠস্বর ফিরে পান এবং তা দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায়। তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, ‘এই সিনেমায় আমি নিজের কণ্ঠস্বর ফিরে পেয়েছিলাম।’

অনুষ্ঠানে তিনি শাহরুখ খানসহ তার ক্যারিয়ারের সকল নায়কদের স্মরণ করেন। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান।

 

এলআইএ