আন্তর্জাতিক

ইরান ইস্যুতে নজর রাখছে রাশিয়া ও চীন

মার্কিন হামলার আশঙ্কা বাড়ার মধ্যেই ইরান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছে রাশিয়া ও চীন।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রে বেলুসোভ চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডং জুনের সঙ্গে কথা বলেছেন। এ সময় বেলুসোভ বলেন, আমাদেরকে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়মিত বিশ্লেষণ করতে হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

ডং জুন বলেন, চীন মস্কোর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত, যাতে উভয় দেশের সামনে থাকা বিভিন্ন ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহযোগিতা বাড়ানো যায়।

রাশিয়া ও চীন বাণিজ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতা করে থাকে। ইরান এই দুই পরমাণু শক্তিধর দেশের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র। তবে বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে হামলা চালায়, তাহলে বেইজিং ও মস্কো সরাসরি তেহরানের পক্ষে যুদ্ধে জড়াবে—এমন সম্ভাবনা কম।

ইউরোপিয়ান কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন্সের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক এলি গেরানমায়েহ বলেন, চীন ও রাশিয়া ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে যেতে চায় না। কারণ তাদের কাছে ইরানের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার রয়েছে।

এদিকে ইরানের ডেপুটি স্পিকার হামিদরেজা হাজিবাবাই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ওপর সামরিক হামলা চালায়, তাহলে তার দেশ কঠোর ও চূড়ান্ত জবাব দেবে।

বাহরাইনে একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে ইন্দোনেশিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধিদলের প্রধানের সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি এ কথা বলেন।

হাজিবাবাই অভিযোগ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আন্তর্জাতিক নিয়মকানুনকে দুর্বল করে সামরিক আগ্রাসন ও সম্পদ লুটের যৌক্তিকতা দেখাচ্ছেন।

তিনি বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র কখনো হুমকি, উত্তেজনা বা সংঘাত শুরু করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। তবে সরাসরি বা পরোক্ষ কোনো আগ্রাসন হলে জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আমাদের অবিচ্ছেদ্য অধিকারের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক, কঠোর ও উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।

সূত্র: আল-জাজিরা

এমএসএম