জাতীয়

যেসব এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকার ২০ আসন, ভোটার স্থানান্তর ৪০ হাজার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার ২০টি আসন থেকে লড়বেন বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা। তবে দেশের অন্যান্য জেলার নির্বাচনি আসনগুলো যত সহজে ভোটাররা শনাক্ত করতে পারেন, ঢাকার আসনের ক্ষেত্রে তা সম্ভব হয় না। ঢাকা শহরের ঘিঞ্জি অলিগলির আসনগুলো অনেকেই শনাক্ত করতে পারেন না। এতে অনেক সময় বিপাকে পড়তে হয় ভোটারদের।

এ ছাড়া আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকার আসনগুলোতে এবার স্থানান্তরিত ভোটারের সংখ্যাও বেড়েছে। ঢাকার ২০টি আসনে এবার মোট ভোটার স্থানান্তর হয়েছে ৪০ হাজার। সব চেয়ে বেশি হয়েছে মিরপুর এলাকায়। কোন কোন এলাকা নিয়ে ঢাকার ২০টি নির্বাচনি আসন গঠিত এবং কোন আসনে কত সংখ্যক ভোটার স্থানান্তর হয়েছে তা তুলে ধরা হলো জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য—

যেসব এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকার ২০ আসন

ঢাকা জেলার দুটি আসন পুরোপুরি ঢাকার বাইরের ও উপজেলাকেন্দ্রিক। ঢাকা-১ আসনটি গঠিত দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে। এই আসনটির অবস্থান রাজধানীর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে।

ঢাকা-২০ আসনটি ধামরাই উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনটি একেবারে ঢাকার বাইরের পশ্চিম প্রান্তের গ্রামীণ এলাকা নিয়ে গঠিত। অন্যদিকে ঢাকা-২ ও ঢাকা-৩ আসন গঠিত কেরানীগঞ্জ উপজেলা নিয়ে। মাত্র এক উপজেলায় দুটি আসন। ঢাকা-৪ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৯ ওয়ার্ড ও শ্যামপুর থানা নিয়ে গঠিত। ঢাকা-৫ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১২ নম্বর ওয়ার্ড (যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা) নিয়ে গঠিত।

পুরান ঢাকা ও দক্ষিণ ঢাকার আসন ঢাকা-৬ : পুরান ঢাকার অংশ বিশেষ, যেখানে ঐতিহ্যবাহী আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা রয়েছে।ঢাকা-৭ : লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর এলাকার বড় অংশ নিয়ে গঠিত।ঢাকা-৮ : মতিঝিল, শাহবাগ, রমনা, পল্টন ও শাহজাহানপুর থানা নিয়ে এ আসন গঠিত। এটিকে ঢাকার প্রাণকেন্দ্র বলা যায়।ঢাকা-৯ : খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা এলাকা নিয়ে গঠিত।

মধ্য ঢাকার আবাসিক ও শিল্পাঞ্চলঢাকা-১০ : ধানমন্ডির অংশ ও আশপাশের এলাকা নিয়ে গঠিত।ঢাকা-১১ : তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও সংলগ্ন আবাসিক এলাকা অন্তর্ভুক্ত।ঢাকা-১২ : তেজগাঁও, শের-ই-বাংলা নগর, কাওরান বাজার এলাকা নিয়ে গঠিত।ঢাকা-১৩: মোহাম্মদপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো নিয়ে গঠিত।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার আসন ঢাকা-১৪, ঢাকা-১৫ ও ঢাকা-১৬: মিরপুর ও আশপাশের আবাসিক এলাকা নিয়ে গঠিত।ঢাকা-১৭ : গুলশান, বনানী, বারিধারা, মহাখালী এবং ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা নিয়ে গঠিত।ঢাকা-১৮ : উত্তরা, বিমানবন্দর, তুরাগসহ আরও উত্তরের কিছু এলাকা অন্তর্ভুক্ত।ঢাকা-১৯ : সাভার ও আশুলিয়া অঞ্চল নিয়ে গঠিত। দেশের অন্যতম বড় শিল্পাঞ্চল এই আসনের আওতায় পড়ে। পোশাকশিল্প ও শ্রমজীবী মানুষের বসবাস এখানে বেশি।

২০টি আসনে ৪০ হাজার ভোটার স্থানান্তর

দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঠিকানা পরিবর্তন করে ঢাকার সংসদীয় আসনগুলোতে স্থানান্তর হয়েছে। ঢাকার ২০টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার স্থানান্তরের সংখ্যা ৪০ হাজারের মধ্যে। পারিবারিক প্রয়োজন, চাকরি, শিক্ষা ও আবাসন পরিবর্তনের কারণে সারা বছরই ভোটাররা তাদের এলাকা পরিবর্তন করে থাকেন। তবে নির্বাচনের আগে এই হার কিছুটা বাড়ে। গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য আবেদন জমা পড়ে ৭ লাখের বেশি। এর মধ্যে সাড়ে ৬ লাখেরও বেশি ভোটারের আবেদন অনুমোদন করা হয়েছে।

মিরপুর ও ভাটারা থানায় বেশি ভোটার স্থানান্তর

২০২৫ সালের আগস্ট থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকার ৫৩টি থানার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটার স্থানান্তর হয়েছে মিরপুর, ডেমরা ও পল্লবী থানায়। এই সময় মিরপুর থানায় ভোটার স্থানান্তর করেছেন ১ হাজার ৬২৭ জন, ডেমরায় ১ হাজার ৪৪৪ জন এবং পল্লবীতে ১ হাজার ২৩৫ জন। এরপর কেরানীগঞ্জ থানায় ১ হাজার ২০৭ জন, বাড্ডায় ৮৫১ জন, কাফরুলে ৮১১ জন, সাভারে ৭৭১ জন, খিলগাঁওয়ে ৭৪২ জন, যাত্রাবাড়ীতে ৭১৭ জন এবং পল্টন থানায় ৬৩৮ জন ভোটার এলাকা পরিবর্তন করেছেন।

এ ছাড়া ধামরাইয়ে ৬১৪ জন, কদমতলীতে ৬২১ জন, গুলশানে ৫৯১ জন, রমনায় ৫৪০ জন, ধানমন্ডিতে ৪৩৬ জন, বনানীতে ৪১৮ জন, ভাটারায় ৩৯৭ জন, শাহজাহানপুরে ৩৭৫ জন, তুরাগে ৩৫৬ জন, নবাবগঞ্জে ৩৪৫ জন এবং মোহাম্মদপুরে ৩৩৬ জন ভোটার স্থানান্তরের তথ্য পাওয়া গেছে।

তুলনামূলকভাবে কম ভোটার স্থানান্তর হয়েছে আদাবরে ২৭৮ জন, শাহবাগে ২৮২ জন, উত্তরা পশ্চিমে ২৩৪ জন এবং উত্তরখানে ১৬৫ জন। সবচেয়ে কম স্থানান্তরের ঘটনা ঘটেছে ভাসানটেকে ৯৬ জন, খিলখেতে ৮০ জন, কোতোয়ালিতে ৭৭ জন এবং কামরাঙ্গীরচরে ৭৩ জন।

ঢাকার ২০ সংসদীয় আসনে ভোটার বৃদ্ধি ও হ্রাসের চিত্র

ঢাকার ২০টি সংসদীয় আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারের সংখ্যা তিন লাখেরও বেশি বেড়েছে। পাশাপাশি সীমানা পুনর্নির্ধারণের কারণে কয়েকটি আসনে ভোটার সংখ্যায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ও হ্রাস দেখা গেছে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার ২০টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ছিল ৮১ লাখ ৭০ হাজার ৫১৯ জন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪ লাখ ৭৪ হাজার ৯৮৫ জনে। অর্থাৎ, এই সময়ে ঢাকায় মোট ভোটার বেড়েছে ৩ লাখ ৪ হাজার ৪৬৬ জন।

আসনভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা-১ আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার ছিল ৫ লাখ ১৩ হাজার ৬০৯ জন। ত্রয়োদশ নির্বাচনে তা বেড়ে হয়েছে ৫ লাখ ৪৫ হাজার ১৪০ জন। এতে ভোটার বেড়েছে ৩১ হাজার ৫৩১ জন।

ঢাকা-২ আসনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটার ছিল ৫ লাখ ৫৮ হাজার ৯৫৮ জন। ত্রয়োদশ নির্বাচনে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ১৯ হাজার ২১৫ জনে। ফলে এ আসনে ভোটার কমেছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭৪৩ জন।

ঢাকা-৩ আসনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটার ছিল ৩ লাখ ৪২ হাজার ৫৪২ জন। ত্রয়োদশ নির্বাচনে তা বেড়ে হয়েছে ৩ লাখ ৬২ হাজার ১৫৯ জন। ভোটার বেড়েছে ১৯ হাজার ৬১৭ জন।

ঢাকা-৪ আসনে দ্বাদশ নির্বাচনে ভোটার ছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৫৭৭ জন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটার দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৫০৬ জনে। ভোটার বেড়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ৯২৯ জন।

ঢাকা-৫ আসনে দ্বাদশ নির্বাচনে ভোটার ছিল ৪ লাখ ৯০ হাজার ৭৬৪ জন। ত্রয়োদশ নির্বাচনে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ১৯ হাজার ৯৯৬ জনে। ভোটার কমেছে ৭০ হাজার ৭৬৮ জন।

ঢাকা-৬ আসনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটার ছিল ২ লাখ ৮১ হাজার ৪৩২ জন। ত্রয়োদশ নির্বাচনে তা বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৯২ হাজার ২৮৩ জন। ভোটার বেড়েছে ১০ হাজার ৮৫১ জন।

ঢাকা-৭ আসনে দ্বাদশ নির্বাচনে ভোটার ছিল ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৮৯ জন। ত্রয়োদশ নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৩৭৬ জনে। ফলে ভোটার বেড়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ২৮৭ জন।

ঢাকা-৮ আসনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটার ছিল ২ লাখ ৭০ হাজার ৬৫০ জন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তা বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৭৫ হাজার ৪৭১ জন। ভোটার বেড়েছে ৪ হাজার ৮২১ জন।

ঢাকা-৯ আসনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটার ছিল ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৯৫২ জন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৩৬০ জনে। ভোটার বেড়েছে ১৯ হাজার ৪০৮ জন।

ঢাকা-১০ আসনে দ্বাদশ নির্বাচনে ভোটার ছিল ৩ লাখ ২৪ হাজার ৯৩৩ জন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তা বেড়ে হয়েছে ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৬৬০ জন। এতে ভোটার বেড়েছে ৬৩ হাজার ৭২৭ জন।

ঢাকা-১১ আসনে দ্বাদশ নির্বাচনে ভোটার ছিল ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৩৭ জন। ত্রয়োদশ নির্বাচনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮ জনে। ভোটার বেড়েছে ১২ হাজার ৫৪১ জন।

ঢাকা-১২ আসনে দ্বাদশ নির্বাচনে ভোটার ছিল ৩ লাখ ৩৩ হাজার ১১১ জন। ত্রয়োদশ নির্বাচনে তা সামান্য বেড়ে হয়েছে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৩২০ জন। ভোটার বেড়েছে ২০৯ জন।

ঢাকা-১৩ আসনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটার ছিল ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৪৩৬ জন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৮ হাজার ৭৯১ জনে। ভোটার বেড়েছে ১৩ হাজার ৩৫৫ জন।

ঢাকা-১৪ আসনে গত নির্বাচনে ভোটার ছিল ৪ লাখ ১৮ হাজার ২১২ জন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তা বেড়ে হয়েছে ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪৪ জন। ভোটার বেড়েছে ৩৭ হাজার ৮৩২ জন।

ঢাকা-১৫ আসনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটার ছিল ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৫৯৭ জন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জনে। ভোটার বেড়েছে ৭ হাজার ১২১ জন।

ঢাকা-১৬ আসনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটার ছিল ৩ লাখ ৮৮ হাজার ২৪১ জন। ত্রয়োদশ নির্বাচনে তা বেড়ে হয়েছে ৪ লাখ ৪৯৯ জন। ভোটার বেড়েছে ১২ হাজার ২৫৮ জন।

ঢাকা-১৭ আসনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটার ছিল ৩ লাখ ২৩ হাজার ৯৩২ জন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জনে। ভোটার বেড়েছে ৯ হাজার ৮৪৫ জন।

ঢাকা-১৮ আসনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটার ছিল ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৫৪৯ জন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তা বেড়ে হয়েছে ৬ লাখ ১৩ হাজার ৮৮৩ জন। ভোটার বেড়েছে ২৫ হাজার ৩৩৪ জন।

ঢাকা-১৯ আসনে ভোটার সংখ্যা কমেছে। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে এখানে ভোটার ছিল ৭ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৬ জন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৪৭ হাজার ৭০ জনে। ফলে ভোটার কমেছে ১৮ হাজার ৩৪৬ জন।

অন্যদিকে ঢাকা-২০ আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার ছিল ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৯৮২ জন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৬৩৯ জনে। ভোটার বেড়েছে ২০ হাজার ৬৫৭ জন।

ইসি জানায়, আসন্ন সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনি এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণে ঢাকার ছয়টি আসনে নির্বাচনি এলাকায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। এর মধ্যে ঢাকা-২, ৪, ৫, ৭, ১০ ও ১৪ আসনের সীমানা পরিবর্তন করা হয়েছে। এ জন্য এসব আসনের ভোটার তালিকায় হ্রাস ও বৃদ্ধির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া, নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তি, জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণেও ঢাকার আসনভেদে ভোটার সংখ্যায় তারতম্য দেখা গেছে।

এমওএস/এমএমকে