জাতীয়

নির্বাচন সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ হবে, কারও কোনো সন্দেহ থাকার দরকার নেই

আগামী নির্বাচন অবাধ, গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ বিষয়ে কারও কোনো সন্দেহ থাকার দরকার নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা 

নির্বাচনে ‘মব’ নিয়ন্ত্রণ এবং পুলিশের নিরাপত্তা নিয়ে টিআইবি উদ্বেগের কথা জানিয়েছে- এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘টিআইবি তাদের উদ্বেগ জানিয়েছে। ৫ আগস্টের পরের পুলিশের পরিস্থিতি তো এখন সেই অবস্থায় নেই। এখন পুলিশের মনোবল এবং কর্মক্ষমতা অনেক বেড়ে গেছে। তাই নির্বাচনে কোনো ধরনের কোনো অসুবিধা হবে না।

তিনি বলেন, অন্যান্য নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর কি পরিস্থিতি হয়, আর এবার কি পরিস্থিতি সেটা আপনারা তুলনা করে দেখেন। টিআইবি কেন- আপনাদের কাছেই ভালো তথ্য আছে।

জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, নির্বাচন আল্লাহ দিলে খুবই ভালো হবে। সেটা নিয়ে আপনাদের কারও কোনো সন্দেহ থাকার দরকার নেই। নির্বাচনটা খুবই উৎসবমুখর হবে এবং শান্তিপূর্ণভাবে হবে। নির্বাচনটা একেবারে অবাধ এবং সুষ্ঠু হবে। গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে এটা শুধু আপনারা নয় বিদেশি সাংবাদিক যারা আসবেন তাদেরও আপনারা বলতে পারবেন।

অস্ত্র উদ্ধার পরিস্থিতিসশস্ত্র বাহিনীর অপারেশন ও প্ল্যান ডিভিশনের মহাপরিচালক জেনারেল মোহাম্মদ আলী হায়দার সিদ্দিকী অস্ত্র উদ্ধারের বিস্তারিত পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে ১৯৯টি অস্ত্র, ১৯৭২ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার এবং এক হাজার ৮০৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এছাড়া তিন বাহিনী থেকে মোট এক লাখ ৬২ হাজার ২৩৩ জন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং একটি বড় ড্রাইভের মাধ্যমে ১০৭টি অস্ত্র ও ৬১৩টি গোলাবারুদ উদ্ধারসহ ৮৬৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আলী হায়দার সিদ্দিকী আরও বলেন, বর্তমানে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় বাহিনীর সদস্যরা পৌঁছে গেছেন এবং জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন পুলিশ এবং অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয়ে আমরা একটা অবাধ নির্বাচন উপহার দিতে সক্ষম হব, ইনশা আল্লাহ।

সামগ্রিকভাবে গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে এ পর্যন্ত মোট ৭ হাজার ৭৩১টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে জানিয়ে এ সেনা কর্মকর্তা বলেন, এর মধ্যে পুলিশ ও র‍্যাবের খোয়া যাওয়া অস্ত্র থেকে ৪ হাজার ৪৩২টি, জেল কর্তৃপক্ষ থেকে হারিয়ে যাওয়া ৬৫টি, নিখোঁজ হওয়া লাইসেন্সকৃত অস্ত্রের মধ্যে ৩২৮টি, মালখানা বা পুলিশ স্টেশন থেকে হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন ধরনের অবৈধ অস্ত্রসহ মোট ২ হাজার ৯০৬টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

আরএমএম/এমআইএইচএস