আন্তর্জাতিক

পারস্য উপসাগরে আটকা পড়েছে অন্তত ১৫০ জ্বালানিবাহী জাহাজ

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি সামরিক হামলার পর বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালিতে ভয়াবহ অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এই রুট দিয়ে যাওয়ার জন্য অন্তত ১৫০টি বিশালাকার ট্যাঙ্কার বর্তমানে পারস্য উপসাগরে নোঙর করে আছে।

রোববার (১ মার্চ) বার্তা যুক্তরাজ্যের সংস্থা রয়টার্স শিপ-ট্র্যাকিং ডেটা বা জাহাজ চলাচলের তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন সংবাদ প্রকাশ করেছে। এসব ট্যাঙ্কারের মধ্যে প্রচুর অপরিশোধিত তেল (ক্রুড ওয়েল) এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রয়েছে।

প্রণালির এক প্রান্তে পারস্য উপসাগরের মোহনায় যেমন ১৫০টি জাহাজ নোঙর ফেলেছে তেমন প্রণালির অপর প্রান্তেও কয়েক ডজন জাহাজ নোঙর ফেলে দাঁড়িয়ে আছে, যারা উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অগ্রসর হতে পারছে না।

যুদ্ধের কারণে এই সরু জলপথটি এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যেকোনো মুহূর্তে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার আশঙ্কায় জাহাজ মালিকরা চলাচলের ঝুঁকি নিচ্ছেন না।

বিশ্বের মোট খনিজ তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই সরু পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ২০ ডলার পর্যন্ত বাড়বে বলে আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অচলাবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দেবে।

পাশাপাশি এলএনজি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পকারখানা স্থবির হয়ে পড়তে পারে।

কেএম