জাতীয়

প্রবাসীদের ৬ মার্চের মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা-টিকার রিপোর্ট পাঠাতে হবে 

প্রবাসী হজযাত্রীদের আগামী ৬ মার্চের মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকার রিপোর্ট পাঠাতে হবে। চলতি বছর হজে যেতে নিবন্ধিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এ নির্দেশনা দিয়ে রোববার (১ মার্চ) বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে ২০২৬ সালের হজে অংশ নিতে নিবন্ধিত প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীদের নিজ নিজ অবস্থানরত দেশের নির্ভরযোগ্য হাসপাতাল বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে মন্ত্রণালয় নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি মেনিনজাইটিস ও ইনফ্লুয়েঞ্জা টিকা গ্রহণ করতে হবে।

স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা গ্রহণের রিপোর্টের প্রমাণক এবং সংযুক্ত অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করে তা আগামী ৬ মার্চের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ই-মেইল (diseasecontrol@director.dghs.gov.bd অথবা drshipon33@gmail.com) এবং সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির কাছে অবশ্যই পাঠাতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকে নিজস্ব প্যাডে একটি অঙ্গীকারনামা প্রস্তুত করে তাতে লিড এজেন্সির প্রতিস্বাক্ষর নিতে হবে। এরপর প্রবাসী হজযাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা গ্রহণের রিপোর্টের প্রমাণক প্রিন্ট করে আগামী ৮ মার্চের মধ্যে সরাসরি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও লাইন ডিরেক্টর (পরিচালক) বরাবর দাখিল করতে হবে।

আরও পড়ুন৫ মার্চের মধ্যে হজযাত্রীদের ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার অনুরোধহজ ব্যবস্থাপনায় বিন্দুমাত্র ব্যত্যয় ঘটালে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

সরকারি মাধ্যমে নিবন্ধিত প্রবাসী হজযাত্রীদের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তারা স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা গ্রহণের রিপোর্টের প্রমাণক এবং অঙ্গীকারনামা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ই-মেইলের পাশাপাশি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ই-মেইল (hajj_secl@mora.gov.bd) ঠিকানায় পাঠাবেন।

দাখিল করা রিপোর্ট ও অঙ্গীকারনামা পর্যালোচনার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে নির্ধারিত চিকিৎসক আগামী ১০ মার্চের মধ্যে ই-হজ সিস্টেমে তথ্য অন্তর্ভুক্ত করে ই-হেলথ সার্টিফিকেট প্রদান করবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এছাড়া আগামী ১১ মার্চের মধ্যে সৌদি আরবের নুসুক মাসার সিস্টেমে সব হজযাত্রীর ভিসার আবেদন সম্পন্ন করতে হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এবার বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনা মিলিয়ে ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালন করবেন। 

আরএমএম/ইএ