খেলাধুলা

বিসিএল ফাইনালে আজ নর্থ-সেন্ট্রাল লড়াই

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আজ মঙ্গলবার মুখোমুখি হচ্ছে বিসিবি নর্থ জোন এবং বিসিবি সেন্ট্রাল জোন। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিবা-রাত্রির এই ফাইনাল ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে।

ঐতিহ্যগতভাবে বিসিএল চারদিনের ফরম্যাটে হলেও, আসন্ন পাকিস্তান সিরিজের প্রস্তুতি হিসেবে এবার টুর্নামেন্টটি ওয়ানডে ফরম্যাটে আয়োজন করা হয়েছে। লিগ পর্বে তিনটি করে ম্যাচ খেলে দুটিতে জিতে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ফাইনালে পা রাখে দুই দলই।

গতকাল সোমবার মিরপুরে নিজেদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সেরেছে নাজমুল হোসেন শান্তর নর্থ জোন। আড়াই ঘণ্টার নেট সেশন শেষে দুপুর ৩টার দিকে সেন্ট্রাল জোন অনুশীলনে নামলেও আকস্মিক বৃষ্টির কারণে তাদের সেশনটি বাধাগ্রস্ত হয়।

লিগ পর্বে এই দুই দলের একমাত্র দেখায় জিতেছিল সেন্ট্রাল জোন। তাওহীদ হৃদয়ের সেঞ্চুরিতে নর্থ জোনের ৩২২ রানের পাহাড় টপকে গিয়েছিল জিসান আলমের বিধ্বংসী ১২৭ রানের ইনিংসে ভর করে। আজ নর্থ জোনের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ থাকছে। একই সঙ্গে আবারও নর্থকে হারিয়ে শিরোপা জয়ের সুযোগ থাকছে সেন্ট্রাল জোনের সামনে।

পাকিস্তান সিরিজের আগে এই ফাইনালকে বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন সেন্ট্রাল জোনের ওপেনার সাইফ হাসান। তিনি বলেন, ‘গত এক-দেড় বছরে দেখবেন, আমি ওয়ানডে খেলার খুব একটা সুযোগ পাইনি। অল্প কিছু ম্যাচ খেলেছি, কিন্তু সেগুলো ছিল টি-টোয়েন্টি সিরিজের মাঝখানে। তাই এখন সামনে যেহেতু ওয়ানডে সিরিজ আছে, এই বিরতিগুলোতে প্রস্তুতি নেয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

‘বর্তমানে পাকিস্তান সিরিজের প্রস্তুতি হিসেবে বিসিবি ওয়ানডে ফরম্যাটে বিসিএল আয়োজন করছে। আন্তর্জাতিক সিরিজের আগে ম্যাচ প্র্যাকটিস একজন ব্যাটারের জন্য আশীর্বাদ। ফাইনালে খেলার সুযোগ আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। মিরপুরের উইকেট স্পোর্টিং হবে এবং ব্যাটার-বোলার উভয়ই সহায়তা পাবেন। বগুড়া-রাজশাহীতে সাধারণত খুব ভালো উইকেট থাকে আর মিরপুরে দিবা-রাত্রির ম্যাচ, আশা করি ভালো উইকেট থাকবে।’

অন্যদিকে শিরোপা জিততে মরিয়া নর্থ জোনের কোচ তারেক আজিজ খান খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স ও উইকেট নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমাদের সব প্লেয়ার প্রস্তুত ফাইনাল ম্যাচের জন্য। একটি সঠিক কম্বিনেশন নিয়ে মাঠে নামতে চাই এবং কাঙ্খিত ফলাফল বের করে আনতে চাই। বিপিএলে এবার চমৎকার উইকেট ছিল। বড় রান করার যে অভ্যাস বা ফ্ল্যাট উইকেটে বল করার যে অভ্যাস, সেটি প্লেয়াররা দুভাবেই রপ্ত করার সুযোগ পাবে। বাংলাদেশের প্রায় সব সেরা প্লেয়াররা এখানে আছে। এটি নির্বাচকদের জন্যও একটি সুযোগ, কারো সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে সেটি দেখে নেয়ার। সব প্লেয়ারের জন্য এটি ভালো সুযোগ ছিল। টিমগুলোও বেশ ভারসাম্যপূর্ণ ছিল।’

এসকেডি/আইএইচএস/