সরকারি হাসপাতাল ঘিরে গড়ে ওঠা দালাল চক্র ধরতে রাজধানীর তিনটি হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করেছে র্যাব। অভিযান শেষে র্যাব হেডকোয়ার্টার্সের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ মোহাম্মদ জুবায়ের বলেন, ‘আমরা বেশকিছু বেসরকারি ক্লিনিকের নাম পেয়েছি যাদের মাধ্যমে দালাল চক্রটা পরিচালিত হয়। তাদের বিরুদ্ধেও আমরা পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’
রোববার (৮ মার্চ) সকালে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট এবং জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) দালাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব বলেন তিনি।
তিনি বলেন, আমরা আজ এখানে দালালের দৌরাত্ম্য প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করি। অভিযানের বিভিন্ন অভিযোগে ২০ জনকে আটক করা হয়। তাদের মূলত অভিযোগগুলো হচ্ছে রোগীদের মিথ্যা বিজ্ঞাপন দ্বারা প্রতারণা করার মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া, বিভিন্ন টেস্টের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করাসহ বিভিন্ন অপরাধে তাদের আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে যে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সেটা আসলে চলমান একটা প্রক্রিয়া। তাদের বিরুদ্ধে শুনানি গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি বলেন, অভিযান পরিচালনা করে বেশ কিছু বিষয়ে পরিলক্ষিত হয়েছি। তার মধ্যে একটি বিষয় হচ্ছে আমরা বেশ কিছু বেসরকারি ক্লিনিকের নাম পেয়েছি যাদের মাধ্যমে দালাল চক্রটা পরিচালিত হয়। তাদের বিরুদ্ধেও আমরা পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। এই হাসপাতালের অতীতের কিছু কর্মচারীকে আমাদের অভিযানিক দল হাতেনাতে ধরেছে। তারা এই মুহূর্তে হাসপাতালে যুক্ত না, কিন্তু তারা এখন এখানে দালালিসহ অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তাদের অনেককেই আমরা আজ আইনের আওতায় নিয়ে আসছি। দালালদের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
কেআর/এমআইএইচএস