ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান। তার অভিনীত নতুন সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’ মুক্তির অপেক্ষায় আছে। আসছে রোজার ঈদে ছবিটি দেশজুড়ে চলবে মহা সমারোহে। সব জটিলতা শেষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড জমা পড়তে যাচ্ছে ছবিটি।
এরইমধ্যে সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। অনেকেই এর প্রচারে সরব হয়েছেন। তাদের একজন অনন্য মামুন। ঈদে নিজের কোনো সিনেমা না থাকলেও শাকিব অভিনীত ‘প্রিন্স’ ছবির প্রচারণায় সক্রিয় তিনি।
আজ (১০ মার্চ) মঙ্গলবার মামুন নিজের ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে ‘প্রিন্স’ সেন্সরে যাচ্ছে বলে জানান। সেখানে তিনি বলেন, ‘যে ট্রেলার দেখছি সবার ঘুম হারাম হয়ে যাবে....।’
অল্প সময়ের মধ্যেই পোস্টটি ভরে ওঠে হাজার হাজার মন্তব্য, শেয়ার ও রিঅ্যাকশনে।
তবে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিনোদন সাংবাদিক অনিন্দ্য মামুন। মন্তব্যে তিনি লেখেন, ‘ছবির দুটি গানের শুটিং হয়নি, বেশ কিছু দৃশ্যেরও শুটিং বাকি। ভিএফএক্সের অনেক কাজ আছে প্রিন্সে। সেটাও শেষ করতে সময় লাগবে। বিজিএমও পুরোপুরি শেষ হয়নি। এসব ছাড়াই কি ছবিটি সেন্সরে পাঠাচ্ছে? গানের সেন্সর কি আলাদা করে আবার করাবে? টিজার রেডি করা আর পুরো সিনেমা রেডি করা তো এক না পরিচালক সাহেব।’
এর জবাবে অনন্য মামুন লিখেছেন, ‘শোনা কথা কান দিলে ভুল করবেন। মনে রাখবেন আমি জেনে কথা বলি, শোনা কথা না। আর আমি সিনেমায় ১৭ বছর, আমি জানি কাজ কিভাবে হয় সাংবাদিক সাহেব।’
এর আগে প্রিন্স সিনেমার মোশন লুকটি প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ক্যাপশনে পরিচালক ও কলাকুশলীরা লিখেছেন, ‘সে ক্ষমতার পেছনে ছোটে না, ক্ষমতাই তাকে অনুসরণ করে।’ এই একটি লাইনেই চরিত্রের দাপট ও গল্পের আবহের ইঙ্গিত মিলেছে বলে মনে করছেন দর্শকেরা। প্রকাশের পরপরই মোশন লুকটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।
শিরিন সুলতানার প্রযোজনায় এবং ক্রিয়েটিভ ল্যান্ডের ব্যানারে নির্মিত ‘প্রিন্স’ সিনেমার একটি অংশের শুটিং ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায় শেষ হয়েছে। বাকি কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদ। সিনেমাটির ট্যাগলাইন-‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’, যা গল্পের প্রেক্ষাপট ও সময়কাল নিয়ে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করছে। এই সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু, তাসনিয়া ফারিণ ও সাবিলা নূর। আরও আছেন নাসির উদ্দিন খান, রাশেদ মামুন অপু, ইন্তেখাব দিনার, ডা. এজাজ, শরীফ সিরাজসহ একঝাঁক অভিনয়শিল্পী।
এমআই/এলআইএ