রাজধানীর উত্তরায় গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ এনায়েত আলী (৩২) মারা গেছেন। এ নিয়ে এ দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হলো। এর আগে গত রোববার সোনিয়া আক্তার (২৫) নামের অন্তঃসত্ত্বা এক নারী মারা যান।
বুধবার (১১ মার্চ) ভোর রাত ৩টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, এনায়েত আলীর শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল। নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়েছে।
আরও পড়ুনঢাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ১০ জন দগ্ধ উত্তরায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যু
তিনি বলেন, গত শুক্রবার (৬ মার্চ) উত্তরা থেকে দগ্ধ অবস্থায় নারী ও শিশুসহ মোট ১০ জন আমাদের এখানে আসেন। দগ্ধরা হলেন- মো. রুবেল (২৮), তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৫), মেয়ে রোজা (৩), সোনিয়ার বড় বোন রিয়া (২৭), রুবেলের চাচাতো ভাই মো. এনায়েত (৩২), তার স্ত্রী দুলারা খাতুন (২৮), ছেলে জুনায়েদ (১৩), এনায়েতের ভাই মো. হাবিব (৩০), এনায়েতের ভাগ্নি আয়েশা (১৯), মো. হাবিব (৩৫) ও আবুল কালাম রুবেল (৩৫)।
দগ্ধদের মধ্যে সোনিয়ার শরীরের ১০০ শতাংশ, এনায়েত আলীর ৪৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল। তারা দুজনই মারা গেছেন। এছাড়া রুবেলের ৩২ শতাংশ, রিয়ার ৩২ শতাংশ, জুনায়েদের ২৪ শতাংশ, হাবিবের ১৯ শতাংশ, শিশু রোজার ১৮ শতাংশ, দিলারার ১৪ শতাংশ, আয়েশার ১২ শতাংশ ও আবুল কালামের ৭ শতাংশ দগ্ধ রয়েছে।
কাজী আল-আমিন/কেএসআর