পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে মো. সোহাগ হত্যা মামলায় পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা আবারও পিছিয়েছে। প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ এপ্রিল নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তারের আদালত এ আদেশ দেন।
এদিন মামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই অনুপ কুমার দাশ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, তদন্তে ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকার কারণে গত ২০ জানুয়ারি আদালত অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। এরপরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা না হওয়ায় কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ ১৫ কার্যদিবস সময় বাড়ানোর আবেদন করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ৯ জুলাই সন্ধ্যার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের কাছে রজনী ঘোষ লেনে একদল দুর্বৃত্ত ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগকে পাথর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে।
ঘটনার পরদিন নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম কোতোয়ালি থানায় ১৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।
পরে তদন্ত শেষে গত ৮ ডিসেম্বর ২১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। তবে অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় ১০ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। বর্তমানে মামলার ১৩ জন আসামি কারাগারে এবং আটজন পলাতক।
নিহত সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে পুরান ঢাকার মিটফোর্ড এলাকার রজনী ঘোষ লেনে ভাঙারি ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
এমডিএএ/এএমএ