চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার গোপালপুর গ্রামের মাঠ থেকে হাত বাঁধা অবস্থায় এক নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে দলিয়ারপুর পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করেন।
নিহত নারীর নাম জোবেদা খাতুন (৪৫)। তিনি দামুড়হুদা উপজেলার দলিয়ারপুর গ্রামের মৃত তুফান হোসেনের স্ত্রী। স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছিল জোবেদা খাতুনের।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে জোবেদা খাতুন ঘাস কাটতে বাড়ি থেকে বের হন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি আর বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে স্থানীয়রা গোপালপুর গ্রামের একটি মাঠে হাত বাঁধা ও রক্তাক্ত অবস্থায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
স্থানীয়দের ধারণা, তাকে ধর্ষণের পর অথবা ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হতে পারে।
খবর পেয়ে শুক্রবার সন্ধ্যার আগে দলিয়ারপুর পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
দলিয়ারপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) আকতার হোসেন জানান, সকালে ঘাস কাটতে গিয়ে ওই নারী আর বাড়ি ফেরেননি। পরে স্থানীয়রা গোপালপুর গ্রামের মাঠে হাত বাঁধা ও রক্তাক্ত অবস্থায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে খবর পেয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেসবাহ উদ্দিন ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হন। তিনি বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ঘটনাস্থলে গিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
হুসাইন মালিক/এমএন/এএসএম