লক্ষ্য ২৯১ রানের। শুরুতেই পাকিস্তানকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ। দুই পেসার তাসকিন আহমেদ আর নাহিদ রানার গতিতে কাঁপছে পাকিস্তান। ১৭ রান তুলতে ৩ উইকেট হারিয়ে বসেছে সফরকারীরা।
পাকিস্তানের রান তাড়ায় ইনিংসের প্রথম ওভারেই আঘাত হানেন তাসকিন। তার দারুণ এক ডেলিভারি বুঝতে না পেরে ব্যাট ছুঁইয়ে দেন সাহিবজাদা ফারহান (৬), ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেন লিটন দাস। মাজ সাদাকাতও (৬) একইভাবে উইকেটরক্ষককে ক্যাচ দেন নাহিদ রানার বলে।
এরপর মোহাম্মদ রিজওয়ানকে (৪) দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন তাসকিন। ১৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে পাকিস্তান।
এর আগে অঘোষিত ফাইনালে তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরিতে ভর করে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫ উইকেটে ২৯০ রানের পুঁজি পেয়েছে টাইগাররা।
মিরপুর শেরে বাংলায় আজ রোববার টসভাগ্য সহায় হয়নি বাংলাদেশের। টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং বেছে নেয় পাকিস্তান। ব্যাটিং পায় বাংলাদেশ।
তবে টস পক্ষে না গেলেও ওপেনিংয়ে দুর্দান্ত করেছে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার সাইফ হাসান আর তানজিদ হাসান তামিমের উদ্বোধনী জুটিতে ১৭.৪ ওভারেই আসে ১০০ রান।
চলতি সিরিজে তিন ম্যাচে দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেন তানজিদ তামিম। আজ তিনি ফিফটি করেন ৪৭ বলে। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ হাফসেঞ্চুরি।
তামিম-সাইফের ওপেনিং জুটিটি ভাঙে ১০৫ রানে। শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ডাউন দ্য উইকেটে চড়াও হতে গিয়ে লাইন মিস করে বোল্ড হন সাইফ (৩৬)।
এরপর নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে ৫৩ রানের আরেকটি জুটি গড়েন তামিম। হারিস রউফের বলে এলবিডব্লিউ হন শান্ত (২৭), রিভিউ নিয়েও কাজ হয়নি।
তবে ছক্কা হাঁকিয়ে ৯৮ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন তানজিদ তামিম। তার দারুণ এই ইনিংসটি থামান আবরার আহমেদ। কভারে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তামিম। বল সমান ১০৭ রানের ইনিংসে ৬টি বাউন্ডারি আর ৭টি ছক্কা হাঁকান বাঁহাতি এই ওপেনার।
এরপর লিটন দাস ৫১ বলে ৪১ আর শেষদিকে তাওহিদ হৃদয় ৪৪ বলে ৪ বাউন্ডারিতে করেন অপরাজিত ৪৮ রান। আফিফ হোসেন ৮ বল খেলে মাত্র ৫ রান রান করতে পারেন। নাহলে হয়তো তিনশ পার করা কঠিন হতো না বাংলাদেশের।
পাকিস্তানের হারিস রউফ ৫২ রান দিয়ে নেন ৩টি উইকেট।
এমএমআর