দেশজুড়ে

জোটের প্রার্থীকে প্রত্যাখ্যান করে জামায়াত কর্মীদের বিক্ষোভ

নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া মজুমদারকে জামায়াতের জোটের প্রার্থী করায় বিক্ষোভ করেছেন জামায়াতের স্থানীয় কর্মী-সমর্থকরা। তারা ওই প্রার্থীকে জনসমর্থনহীন দাবি করে নিজেদের প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়েদ আহমদকে জোটের প্রার্থী ঘোষণার দাবি জানান।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে সেনবাগ রাস্তার মাথায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় জামায়াতের কয়েকশ কর্মী-সমর্থক অংশগ্রহণ করেন।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, এনসিপির প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। এলাকার মানুষের সঙ্গে তার কোনো পরিচয় নেই, এমনকি তার তেমন কোনো জনসমর্থনও নেই। সম্প্রতি ওই প্রার্থী কোনো জনসংযোগও করেননি। তাই ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা সাইয়েদ আহমদকে ঘোষণা করার দাবি জানান তারা।

আবদুর রহমান নামে জামায়াতের এক সমর্থক বলেন, সুলতান জাকারিয়াকে প্রার্থী হিসেবে আমরা মেনে নিতে রাজি না। জনসমর্থনহীন প্রার্থী চাপানো হলে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যাবেন না। দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিকভাবে কাজ করা মাওলানা সাইয়েদ আহমদকে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই আমরা।

মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ করে মিছিল বের করেন। এতে এক ঘণ্টা সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে জেলার নেতাদের হস্তক্ষেপে তারা সড়ক ছেড়ে দেন বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে জেলা জামায়াতের আমির ও নোয়াখালী-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. ইসহাক খন্দকার জাগো নিউজকে বলেন, নোয়াখালী-২ আসনটি জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এনসিপিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের দলের সাধারণ কিছু কর্মী-সমর্থক না বুঝে ওই কর্মসূচি পালন করেছে। এর সঙ্গে জামায়াতের কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই।

তিনি আরও বলেন, খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিক এ আন্দোলন বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছি। কারণ আমাদের দলের সঙ্গে এ ধরনের কর্মসূচি যায় না। একইসঙ্গে জামায়াত থেকে মনোনয়ন দাখিল করা প্রার্থী মো. সাইয়েদ আহমদকে দ্রুত প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে।

ইকবাল হোসেন মজনু/এফএ/এমএস