বর্তমানে দেশজুড়ে এলপি গ্যাস বন্ধের ঘোষণা যেন দেশবাসীকে গুরুতর চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। তাই এখন রান্নার একমাত্র বিকল্প ভরসা হলো ইলেকট্রনিক চুলা। যেহেতু আমরা কম বেশি সবাই গ্যাসের চুলায় রান্না করে অভ্যস্ত, তাই ইলেকট্রনিক চুলা ব্যবহারের আগে কিছু সতর্কতা জেনে রাখা দরকার।
১. স্টোভের চারপাশ পরিষ্কার রাখুনচুলার পাশে কাপড়, কাগজ, প্লাস্টিক বা দাহ্য কিছু রাখবেন না। এতে আগুন লাগার ঝুঁকি কম থাকবে।
২. রান্না রেখে কোথাও না যাওয়াই ভালো চুলা চালু থাকলে রান্নাঘর ছেড়ে যাবেন না। এতে অসাবধানতাবসত দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, যেমন - পানি, ডাল বা দুধ উতলে পড়ে বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আশা বা আগুন লাগা।
৩. উপযুক্ত হাঁড়ি–পাতিল ব্যবহার করুন সমতল ও ইনডাকশন স্টোভ প্রুফ হাঁড়ি–পাতিল ব্যবহার করুন। বাঁকা বা নষ্ট পাত্রে তাপ সমানভাবে ছড়ায় না এবং এতে চুলা নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
৪. রান্না শেষে চুলা বন্ধ হয়েছে কিনা নিশ্চিত করুনরান্না শেষ হলে অবশ্যই ভালো করে দেখে নিন চুলা বন্ধ আছে কিনা। ভুলে চালু থাকলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
৫. নিয়মিত পরিষ্কার করুনচুলায় খাবার বা তেল পরে আগুন ধরতে পারে। তাই নিয়মিত পরিষ্কার করুন। তবে পরিষ্কার করার আগে চুলা পুরোপুরি ঠান্ডা হয়েছে কিনা খেয়াল করবেন।
৬. ভেজা পাত্র ব্যবহার করবেন নাভেজা হাঁড়ি বা প্যান ইলেকট্রিক স্টোভে দিলে হঠাৎ বাষ্প তৈরি হয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই ব্যবহারের আগে পাত্র ভালো করে শুকিয়ে নিন।
৭. অতিরিক্ত উচ্চ তাপ রান্না এড়িয়ে চলুনপ্রয়োজন ছাড়া খুব বেশি তাপে রান্না করবেন না। মাঝারি আঁচে রান্না করলে পোড়া বা আগুন লাগার ঝুঁকি কমে।
৮. তার ও প্লাগ পরীক্ষা করুনচুলার তার বা প্লাগে ছেঁড়া, পোড়া বা ঢিলা কিছু দেখলে সঙ্গে সঙ্গে বদলান। এতে বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।
৯. টাইমার ব্যবহার করুনইলেকট্রনিক চুলায় টাইমার অপশন চালু রাখুন। কারণ, টাইমার ব্যবহার করলে রান্না সময়মতো নজরে থাকে এবং খাবার পুড়ে যাওয়া বা অতিরিক্ত গরম হওয়ার ঝুঁকি কমে।
১০. শিশুদের নিরাপত্তা বিষয়ে জানানবেশি ছোট শিশুদের চুলা থেকে দূরে রাখুন এবং বয়স অনুযায়ী তাদের নিরাপদভাবে চুলা ব্যবহার করতে শেখান। প্রয়োজনে চাইল্ড লক ব্যবহার করুন।
তথ্যসূত্র: ভ্যাটি মালয়েশিয়া
সানজানা রহমান যুথী/এএমপি