জাতীয়

তিন শর্তে এলপিজি আমদানির অনুমতি পেলো বিপিসি

সংকট কাটাতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনকে (বিপিসি) তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। এজন্য বিদ্যমান নীতিমালা ও প্রচলিত বিধি-বিধান প্রতিপালন ছাড়াও তিনটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব শাহিনা আকতার স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ অনুমতি দেওয়া হয়।

চিঠিতে দেশের এলপিজি বাজারে বিদ্যমান কৃত্রিম সংকট ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণ এবং স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বিপিসি কর্তৃক এলপিজি আমদানির নিমিত্ত বিদ্যমান নীতিমালা ও প্রচলিত বিধি-বিধান প্রতিপালন এবং তিনটি শর্ত পালনের কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুনরসিদ চাইলে গ্যাস সিলিন্ডার ‘নেই’

এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সঙ্গে আলোচনাপূর্বক আগ্রহী অপারেটর প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রস্তুতকরণ, আমদানিতব্য এলপিজির পরিমাণ নির্ধারণ, মূল্য পরিশোধের পদ্ধতি, খালাস ও বণ্টন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিষয়সমূহ এ বিভাগের অনুমতিক্রমে বিপিসি নির্ধারণ করবে।

বিপিসির তালিকাভুক্ত জি-টু-জি সরবরাহকারী এবং আন্তর্জাতিক বাজারের অন্যান্য সম্ভাব্য উৎস থেকে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতি কিংবা কোটেশন আহ্বানের মাধ্যমে বাল্ক আকারে এলপিজি আমদানির সম্ভাব্যতা যাচাইপূর্বক প্রচলিত বিধি-বিধান প্রতিপালন সাপেক্ষে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন-২০০৬ ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা-২০২৫ এর ১০৫ ও ১০৭ নং বিধি অনুযায়ী অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) পূর্বানুমোদন গ্রহণের নিমিত্ত প্রস্তাব প্রেরণ করবে।

বাল্ক আকারে আমদানিকৃত এলপি গ্যাস শুধু অনুমোদিত অপারেটরদের নিকট সরবরাহ করা যাবে। তবে বিপিসি কোনো প্রকার বোতলজাতকরণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবে না।

এমডিআইএইচ/ইএ