রাজনীতি

বাড্ডা-শাহজাদপুরে পানি-গ্যাসের সমস্যা নিরসনের প্রতিশ্রুতি নাহিদের

রাজধানীর শাহজাদপুর ও বাড্ডা এলাকায় পানি এবং গ্যাসের তীব্র সমস্যায় ভুগছেন বাসিন্দারা। ভোট চাইতে যে প্রার্থীই তাদের কাছে যাচ্ছেন, তাদের কাছে পানি-গ্যাসের সমস্যার কথা তুলে ধরছেন তারা।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে শাহজাদপুর বাঁশতলা, নূরের চালা বাজারসহ আশপাশের এলাকায় প্রচারণায় যান দশ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তার কাছেও গ্যাস-পানির সমস্যা সমাধানের আকুতি জানান বাসিন্দারা।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে বাড্ডা-শাহজাদপুরসহ ঢাকা-১১ আসনের আওতাধীন এলাকাগুলোতে গ্যাস ও পানির সমস্যা নিরসনের প্রতিশ্রুতি দেন নাহিদ ইসলাম।

প্রচারণার ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় এলাকার সমস্যা ও তা সমাধানে তার প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন নাহিদ ইসলাম। শাপলা কলি মার্কার এ প্রার্থী বলেন, ‘বাড্ডা-শাহজাদপুরসহ আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। আমরা সেগুলো জনগণের কাছ থেকে শুনছি। এখানে পানি ও লাইনের গ্যাসের সমস্যাই সবচেয়ে বড় সমস্যা। সকালে গ্যাস চলে যায়, সারাদিন আর আসে না। মা-বোনেরা রান্না করতে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। পানির সমস্যা নিয়ে ইতোমধ্যে ওয়াসায় আবেদন করা হয়েছে। আমি চেষ্টা করবো, কীভাবে এসব সমস্যা সমাধান করা যায়।’

মাদক নির্মূলের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নাহিদ বলেন, প্রকাশ্যে এখানে মাদকের কারবার চলে। তরুণসমাজ এ মাদকের কবলে পড়েছে। তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ মাদকের সঙ্গে প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা জড়িত। আমরা ঢাকা-১১ আসনের এ এলাকা থেকে মাদক নির্মূলে কাজ করবো।

বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ভূমি দখল ও চাঁদাবাজি করছেন অভিযোগ করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, এখানে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল বেড়েছে। ৫ আগস্টের পর থেকে এটা সারাদেশেই হচ্ছে। একটি দলের নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি, ভূমি দখলে ব্যস্ত। ভূমি দখল এর আগেও আওয়ামী লীগ আমলে হয়েছে। এখন সেটা চালিয়ে যাচ্ছেন আমাদের যে প্রতিদ্বন্দ্বী দল রয়েছে, তাদের প্রার্থী ও তার কর্মী-সমর্থকরা। এ সমস্যা সমাধানেও আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। কঠোরভাবে ভূমি দখল ও চাঁদাবাজদের প্রতিহত করা হবে।

এদিন সকালে নাহিদ ইসলাম রাজধানীর শাহজাদপুর বাঁশতলা, নূরেরচালা বাজার, নবধারা সড়ক এবং একতা সড়ক এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণা করেন। প্রচারণা ও গণসংযোগে তার সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ দশ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা। তারা হেঁটে হেঁটে ভোটারদের সঙ্গে কুশলবিনিময় করেন ও তাদের দাবি-দাওয়ার কথা শোনেন এবং নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চান।

এএএইচ/এসএনআর