খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির আয়োজনে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনি জনসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সমাবেশ ঘিরে খুলনার খালিশপুরে প্রভাতী বিদ্যালয় মাঠে চলছে মঞ্চ প্রস্তুতের কাজ। নিরাপত্তা দিতে মাঠে রয়েছে পুলিশ।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রভাতী স্কুল মাঠ ঘুরে দেখা যায়, মঞ্চের সামনের দিকে বাঁশ দিয়ে ঘিরে ভেতরে মঞ্চ প্রস্তুত করা হচ্ছে। সেখানেই উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখবেন তারেক রহমান।
খুলনা মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, সোমবার খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনি জনসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন তারেক রহমান। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পর খুলনার মাটিতে হতে যাচ্ছে তারেক রহমানের সরাসরি রাজনৈতিক কর্মসূচি। যা নেতাকর্মীদের কাছে শুধুই একটি সমাবেশ নয়, বরং আবেগের বিস্ফোরণ, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, খুলনা মহানগর, জেলা ও পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলার বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে এই জনসমাবেশকে দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ নির্বাচনি সমাবেশে রূপ দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রায় ৮ লাখ মানুষের উপস্থিতি টার্গেট নিয়ে এরই মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। মহানগর ও জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। সমাবেশ সফল করতে সমন্বয়, আবাসন, শৃঙ্খলা, মিডিয়াসহ ৬টি উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন জানান, সোমবার সকাল ১০টায় খালিশপুরের প্রভাতী স্কুল মাঠে এই জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশে জেলা ও মহানগর মিলে প্রায় ৭-৮ লাখ মানুষ উপস্থিত থাকবে বলে আশা করা যায়।
খুলনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, জনসভায় চেয়ারম্যান তিন জেলাসহ মহানগীর ধানের শীষের সকল প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিবেন এবং খুলনাসহ অত্র অঞ্চলের উন্নয়নের কথা বলবেন। তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে যে ঢেউ শুরু হবে, সেটি আমাদের নির্বাচনের শেষ কাজগুলো সমাপ্ত করবে।
খালিশপুর থানার ওসি মো. তোহিদুজ্জামান বলেন, জনসমাবেশ ঘিরে আমরা নিরাপত্তা জোরদার করেছি। সমাবেশে আসা-যাওয়ার রাস্তা সব সময় পুলিশের নজরদারিতে থাকবে। এছাড়া গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা আলাদাভাবে করা হয়েছে।
আরিফুর রহমান/এফএ/এমএস