দেশজুড়ে

ক্ষমতায় গেলে ১১ দলীয় জোটের মূল টার্গেটই হবে দুর্নীতি বন্ধ করা

জামায়াত ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, বাংলাদেশ দুর্নীতিতে পরপর তিনবার এক নম্বর হয়েছিল। বাংলাদেশের মূল সমস্যা হচ্ছে দুর্নীতি। এ দুর্নীতি যদি চলে যায়, তাহলে বাংলাদেশের উন্নয়ন অটোমেটিকভাবে ডাবল হবে। ক্ষমতায় যেতে পারলে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মূল টার্গেটই হবে দুর্নীতি বন্ধ করা। সেটা আমরা অতীতে প্রমাণ করেছি।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঘোলপাশা ইউনিয়নের আমানগন্ডা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র জামায়াতের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অতীতের কথা স্মরণ করে ডা. তাহের বলেন, এবারের নির্বাচনে একটা সুযোগ আসছে। গত ৫৬ বছরে অত্যাচার, দখলবাজ, লুটতরাজ, চরিত্রহীন কাজ, বাজে সংস্কৃতি এবং বাজে রাজনীতি ছিল, সেটার কবর রচনা করে আমরা নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করব, ইনশাল্লাহ। ৫৬ বছরে যে দুর্নীতি ছিল, সেটা থাকবে না। দুর্নীতির বিরুদ্ধেই আমাদের জিহাদ।

তিনি বলেন, ২০০১-০৬ সালে বিএনপির নেতৃত্বে যে সরকার ছিল, সেখানে জামায়াতের দুইজন মন্ত্রী ছিল। জামায়াতের মন্ত্রীদের কোনো দুর্নীতি পাওয়া যায়নি। সুতরাং, আমরা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ব, সেটা আগেই প্রমাণ করেছিলাম।

ডা. তাহের আরও বলেন, নির্বাচনের দিন দুইটি ভোট। একটি দাঁড়িপাল্লায় দিবেন। অপরটি হ্যাঁ ভোট আর না ভোট। আমরা সবাই হাতে ভোট দিব। কারণ, হ্যাঁ মানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। না মানে দিল্লির বশ্যতা। আমরা মাথা উচু করে দাঁড়াব। আল্লাহ ছাড়া কারো কাছে মাথানত করব না।

ঘোলপাশা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির কাজী মো. আবদুল কাদেরের সভাপতিত্বে ও জামায়াত নেতা আশরাফুল ইসলাম ইমরান লিটনের যৌথ সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমির অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আমির মাহফুজুর রহমান, সাবেক আমির ভিপি সাহাব উদ্দিন।

এ ছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা ইব্রাহিম, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল খায়ের, ওয়াজী উল্লাহ ভুঁইয়া খোকন, ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমান, ইকবাল হোসেন মজুমদার, অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, ব্যাংকার আবদুল মান্নান ভুঁইয়া, খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা শাহজালাল, এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়ক মামুন মজুমদার, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদক নাজমুল হক মাহাদী, জামায়াত নেতা ভিপি জাহাঙ্গীর হোসেন, ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আহসান উল্লাহ, ব্যবসায়ী এরশাদ উল্লাহ মজুমদার, এটিএম খোরশেদ আলম, সমাজসেবক আবদুর রাজ্জাক প্রমুখ।

জাহিদ পাটোয়ারী/কেএইচকে/জেআইএম