ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী মারা যাওয়ায় বাতিল হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়ন পেয়েছেন মৃত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ছোট ভাই মাসুদুর রহমান মাসুদ। আর বিএনপির হয়ে লড়বেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেল।
রোববার (১ মার্চ) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান। মাসুদুর রহমান জেলা জামায়াতের ব্যবসায়িক শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক।
জানা যায়, মাসুদুর রহমান অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য। অবসরের পর থেকে তিনি এলাকায় রড-সিমেন্টের ব্যবসা শুরু করেন। পাশাপাশি বড় ভাই নুরুজ্জামান বাদলের সঙ্গে জামায়াতের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। বাতিল হওয়া নির্বাচনে বড় ভাইয়ের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে মাঠেও ছিলেন তৎপর। জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর পর তিনি আলোচনায় উঠে আসেন।
মাওলানা হাফিজুর রহমান জানান, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে শেরপুর-৩ আসনে নুরুজ্জামান বাদলের ছোট ভাই মাসুদুর রহমান মাসুদের নাম সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রে পাঠানো হয়। পরে কেন্দ্র থেকে তার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৩ ফেব্রুয়ারি শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা যাওয়ায় এ আসনের নির্বাচন প্রথমে স্থগিত ও পরে বাতিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এরপর আগামী ৯ এপ্রিল নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করা হয়। তবে প্রয়োজন না থাকায় এ আসনে গণভোট হবে না।
এদিকে এ আসনে বিএনপির হয়ে লড়বেন তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল। তিনি জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। তার বাবা প্রয়াত ডাক্তার সিরাজুল হক এ আসনে দুইবার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২ মার্চ রিটার্নিং অফিসার বা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ তারিখ ৫ মার্চ। বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তারিখ ৬-১০ মার্চ। আপিল নিষ্পত্তির তারিখ ১১ মার্চ। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৪ মার্চ। আর প্রতীক বরাদ্দের তারিখ ১৫ মার্চ। তবে আগের বৈধ প্রার্থীদের নতুন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে না।
মো. নাঈম ইসলাম/এফএ/এমএস