ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ জীবিত এবং অক্ষত আছেন। ইরানের জ্যেষ্ঠ নেতৃত্ব এবং সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় তিনি অক্ষত রয়েছেন বলে তার এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী আনাদোলুকে জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক উপদেষ্টা বলেন, আমি তার সঙ্গে যোগাযোগ করছি। সবকিছু ঠিক আছে। গতকাল তার নিরাপত্তা বিভাগের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ভবনে হামলা চালানো হয়েছিল। তার তিনজন দেহরক্ষী - আইআরজিসি (ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস) এর সদস্য নিহত হয়েছেন। তার নিজের বাসভবন অক্ষত ছিল।
এর আগে ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার শাসনামলের শুরুতে তিনি শিয়া ধর্মীয় নেতৃত্ব, কট্টরপন্থি ও পার্লামেন্টের রক্ষণশীলদের সমর্থন পেয়েছিলেন।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক হামলায় ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ নিহত হয়েছেন বলে দাবি করে ইরানের আইএলএনএ সংবাদমাধ্যম। প্রতিবেদনে বলা হয়, তেহরানে তার বাসভবনে চালানো এক বিমান হামলায় ৬৯ বছর বয়সী আহমাদিনেজাদ ও তার দেহরক্ষী নিহত হন। তবে সে সময় এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
তবে মেয়াদের শেষদিকে তার নীতিনির্ধারণ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিশেষ করে তার পারমাণবিক নীতির কারণে ইরানের ওপর একাধিক আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। ফলে দেশটি অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে।
ইসরায়েলবিরোধী কঠোর অবস্থানের জন্যও তিনি পরিচিত ছিলেন। তার শাসনামলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক হুমকির জেরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরান ব্যাপকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
টিটিএন