বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ১৯তম নিবন্ধন পরীক্ষা এমসিকিউ (বহুনির্বাচনি) পদ্ধতিতেই হবে বলে জানিয়েছেন বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম। সোমবার (২ মার্চ) তিনি এ তথ্য জানান।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনে লিখিত পরীক্ষা থাকবে বলে তথ্য ছড়ানো হয়। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান বলেন, ১৯তম নিবন্ধনের পরীক্ষা কোন পদ্ধতিতে হবে, সেটি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা আছে। এখানে লিখিত নেওয়া হবে এমন কিছু বলা হয়নি। বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই। ২০০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতেই ১৯তম নিবন্ধনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুনশঙ্কায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা, পদ বাঁচাতে ‘দৌড়ঝাঁপ’ শিক্ষার ছয় মাসের পরিকল্পনা মন্ত্রিসভায় উঠছে বৃহস্পতিবার
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ই-রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। প্রথম দফায় ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ই-রেজিস্ট্রেশনের সময় দেওয়া হলেও পরবর্তীতে তা গত ১ মার্চ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। এখন শূন্য পদের তথ্য (ই-রিকুইজিশন) শুরু করবে এনটিআরসিএ।
নতুন পদ্ধতিতে আসছে যত পরিবর্তননতুন নিয়োগ পদ্ধতিতে স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি তিন বিভাগের জন্যই ২০০ নম্বরের পরীক্ষার প্রস্তাব করা হয়েছে। যদিও স্কুল-কলেজে এবং কারিগরিতে ১০০ নম্বর সাবজেক্টিভ ও ১০০ নম্বর জেনারেল এবং মাদরাসার জন্য ১৪০ নম্বর সাবজেক্টিভ ও ৬০ নম্বর জেনারেল করার প্রস্তাব করা হয়েছিল। তবে বিভাজন করলে বৈষম্য তৈরি হতে পারে বলে মনে করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য তিন বিভাগের জন্য নম্বর প্যাটার্ন একই রকম রাখার চিন্তা করা হচ্ছে।
সূত্র বলছে, পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে আলোচনায় অনেকে অনেক ধরনের প্রস্তাব করেছেন। স্কুল-কলেজে এবং কারিগরির জন্য এক রকম, আবার মাদরাসার জন্য আরেক রকম। তিন বিভাগের জন্য পৃথক পদ্ধতি করা হলে এক প্রকার বৈষম্য করা হবে। সেজন্য তিন বিভাগের জন্য একই রকম পরীক্ষা পদ্ধতি রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এএএইচ/কেএসআর