জাতীয়

ইসলামের দুশমনরা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে: ধর্মমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ইসলামের দুশমনরা ষড়যন্ত্র করছে, যেন তিনি কাজ করতে না পারেন। এমন মন্তব্য করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

বুধবার (৪ মার্চ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি মিলনায়তনে আয়োজিত হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে ইসলামি মূল্যবোধ পুনঃপ্রতিষ্ঠায় জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম’ সংযোজন এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপনের ঘোষণা ছিল একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।

ধর্মমন্ত্রী তার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য দোয়া করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে ইসলামের দুশমনরা ষড়যন্ত্র করছে, যেন তিনি কাজ করতে না পারেন। এজন্য আপনারা দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ে তার জন্য দোয়া করবেন।

আরও পড়ুন

তারেক রহমানকে সভাপতি করে নিকার গঠনপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আনসার ও ভিডিপি মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ

নিজেকে প্রধান অতিথি নয়, বরং ‘ভাই’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের কামলা হিসেবে থাকতে চাই। যে কোনো সময় আমাকে ডাকবেন। তারেক রহমান জনগণের খাদেম হিসেবে আমাদের নিয়োগ দিয়েছেন; মন্ত্রী বলে বাহাদুরি করার জন্য নয়।

এ সময় খতিব মুফতি আবদুল মালেক বলেন, আমাদের আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী চলতে হবে, কোনো কম্প্রোমাইজ ছাড়া। আল্লাহর বিধান মেনে চললে ইনশাআল্লাহ দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি কওমি মাদরাসাগুলোকে সুসংগঠিত ও সহযোগিতার মাধ্যমে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান, যেন সারাদেশে কোরআনের আলো ছড়িয়ে দেওয়া যায়।

অনুষ্ঠানের আগে দুই দিনব্যাপী কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে বাছাই করা প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণে বুধবার চূড়ান্ত পর্ব সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ধর্মমন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ক্বারি আহমদ বইন আজহারী, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

আয়োজকরা জানান, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কোরআন শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং ইসলামি মূল্যবোধ চর্চার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যেই এ ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও উৎসাহ ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে আয়োজনের অনুপ্রেরণা জোগাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তারা।

এফএআর/এএমএ