সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আগে ব্যাটিং করে পাকিস্তানকে ২৯০ রানের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয় বাংলাদেশ। যার সিংহভাগ অবদান তানজিদ হাসান তামিমের। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেই করেন ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি। ম্যাচসেরার পুরস্কারও ওঠে তার হাতে। তবে সিরিজ সেরার লড়াইয়ে তার পুরস্কার ভাগ বসিয়েছেন পেসার নাহিদ রানাও। দুজন যৌথভাবে হয়েছেন সিরিজ সেরা।
গত বুধবার সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে স্রেফ উড়িয়ে দেয় বাংলাদেশ। নাহিদ রানার তোপের মুখে মাত্র ১১৪ রানের গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। সফরকারীদের প্রথম ৫ ব্যাটারকেই ড্রেসিংরুমে ফেরত পাঠান নাহিদ। ওই ম্যাচেই ১১৪ রান তাড়াত ৪২ বলে ৬৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন ওপেনার তামিম।
দ্বিতীয় ম্যাচটা কারোরই ভালো যায়নি, বাংলাদেশও হেরে যায়। তবে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আবার জ্বলে ওঠেন দুজনই। টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নামা বাংলাদেশ নির্ধারিত ৫০ ওভারে করে ২৯০ রান। যেখানে ১০৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তামিম। সমান বলের ইনিংসে ৬টি চার ও ৭টি ছক্কা হাঁকান এই বাঁহাতি ওপেনার। এর বল হাতে সেটা ডিফেন্ড করায় অবদান রাখেন নাহিদ। ১০ ওভারে ৬২ রান খরচায় নেন ২ উইকেট।
সবমিলিয়ে ৩ ম্যাচে নাহিদ রানার শিকার ৮ উইকেট। এই সিরিজে তার চেয়ে বেশি উইকেট নিতে পারেননি কেউই। সর্বোচ্চ রান সংগ্রহে অবশ্য পাকিস্তানের সালমান আঘার সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে বসতে হয়েছে বাংলাদেশের তামিমকে। দুজনই করেছেন ১৭৫ রান, দুজনের সেঞ্চুরিও ১টি, ফিফটিও একটি।
এসকেডি/কেএইচকে