বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জন্য দুটি হাইস্পিড বোট (বড়) কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৮৯ কোটি ৫০ লাখ ১৯ হাজার ১৮৭ টাকা।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই স্পিডবোট কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জন্য দুটি হাইস্পিড বোট (বড়) কেনার প্রস্তাব নিয়ে আসা হয়। সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে অনুমোদন দিয়েছে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জন্য দুটি হাইস্পিড বোট কেনার জন্য এক ধাপ দুই খাম দরপত্র পদ্ধতিতে (অভ্যন্তরীণ) দরপত্র আহ্বান করা হলে দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। তার মধ্যে একটি প্রস্তাব আর্থিক ও কারিগরিভাবে রেসপনসিভ হয়।
দরপত্রের সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসি’র সুপারিশে একমাত্র রেসপনসিভ দরদাতা প্রতিষ্ঠান খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড, বাংলাদেশ নেভি, খুলনার কাছ থেকে ৮৯ কোটি ৫০ লাখ ১৯ হাজার ১৮৭ টাকায় দুটি হাইস্পিড বোট (বড়) কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, সুপারিশ করা দর দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দর অপেক্ষা ২.৬০ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ কোস্টগার্ডে বিদ্যমান ৬৭টি হাইস্পিড বোটের মধ্যে ৩১টি ১০ বছরের অধিক পুরাতন এবং ২০২৬ সাল নাগাদ আরও ১১টি বোট র্নিধারিত আয়ুষ্কাল অতিক্রম করবে।
এদিকে বৈঠকে ১ হাজার ২০৮ কোটি ১৮ লাখ ৫১ হাজার ৯০৬ টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জন্য পাঁচটি রিভারাইন প্যাট্রল ভেসেল (আরপিভি) নির্মাণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আর একটি প্রস্তাব নিয়ে আসা হয়। তবে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি প্রস্তাবটি অনুমোদন করেনি। বৈঠকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ‘চট্টগ্রামের মিরসরাই ও সন্দ্বীপ, কক্সবাজারের সোনাদিয়া দ্বীপ ও টেকনাফ (সাবরাং ও জালিয়ার দ্বীপ) অংশে জেটিসহ আনুষঙ্গিক স্থাপনাদি নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের মিরসরাই ও সন্দ্বীপে, টেকনাফের সুবরাং-জালিয়ার দ্বীপে এবং কক্সবাজারের সোনাদিয়া দ্বীপে জেটি ও অবকাঠামো স্থাপন সংক্রান্ত একটি দরপত্র প্রস্তাব বাতিল করেছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।
এমএএস/এমএমকে