আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খাগড়াছড়িতে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘জনগণের মুখোমুখি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ১০ প্রার্থী সার্বিক উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দেন।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় খাগড়াছড়ি টাউন হলের সামনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুজন জেলা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দীন ইউসুফ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সনাক ঢাকার কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ সরকার।
এতে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকেরা উপস্থিত থেকে প্রার্থীদের বক্তব্য শোনেন এবং প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ১১ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে অনুষ্ঠানে স্বতন্ত্র প্রার্থী জিরুনা ত্রিপুরা উপস্থিত ছিলেন না।
অনুষ্ঠানে বিএনপির প্রার্থী মো. ওয়াদুদ ভুঁইয়া বলেন, খাগড়াছড়ির পাহাড়ি বাঙালির মধ্যে শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা তার অগ্রাধিকার। সব জাতি গোষ্ঠী সবাইকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন একই সঙ্গে অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. ইয়াকুব আলী চৌধুরী বলেন, খাগড়াছড়িতে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি নির্মূল করাই মূল লক্ষ্য। বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিতের সঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
স্বতন্ত্র প্রার্থী সমীরণ দেওয়ান বলেন, পাহাড়ের রাজনীতিতে যুক্ত থেকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব জনগোষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।
স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্মজ্যোতি চাকমা বলেন, এলাকার উন্নয়নে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে উৎসর্গ করতে চাই।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সব প্রার্থীই পাহাড়ের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
প্রবীর সুমন/এএইচ