আইন-আদালত

রাজধানীতে আটক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় কারাগারে

 

রাজধানীর শাহবাগ থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আপেল মাহমুদকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শনিবার (৭ মার্চ) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ছিদ্দিক আজাদ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ঢাকার প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) জিন্নাত আলী বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক আবেদন মঞ্জুর করেন। এসময় আসামিপক্ষ থেকে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি।

শুনানি শেষে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার পথে আপেল মাহমুদ গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, তিনি কোনো অপরাধ করেননি। দেশের মানুষ ভালো নেই। দমন-পীড়ন করে আওয়ামী লীগকে দমিয়ে রাখা যাবে না। তার দাবি, শুধু আওয়ামী লীগের সমর্থক হওয়ার কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

এর আগে শুক্রবার সকালে রাজধানীল গুলিস্তানের গোলাপশাহ মাজার এলাকা থেকে আপেল মাহমুদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, শুক্রবার সকাল পৌনে সাতটার দিকে শাহবাগ থানার আওতাধীন গোলাপশাহ মাজার সংলগ্ন একটি মসজিদের প্রধান ফটকের সামনে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী জড়ো হয়ে উসকানিমূলক ও রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিচ্ছিলেন। এসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাহবাগ থানা পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই নেতাকর্মীরা পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া দিয়ে আপেল মাহমুদকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। তবে অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে মামলায় বলা হয়েছে, পলাতক আসামিদের নির্দেশনা ও আর্থিক সহায়তায় তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তৌফিক হাসান বাদী হয়ে শনিবার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করেন।

এমডিএএ/এমকেআর