নেদারল্যান্ডসের রটারড্যাম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ‘টাইগার কম্পিটিশন’ বিভাগে অংশ নেয় নাজিফা তুষি অভিনীত সিনেমা ‘রইদ’। ঈদুল ফিতরে আসছে নারীকেন্দ্রীক ছবি ‘প্রেশার কুকার’। সেখানেও থাকবেন তুষি। নিজের সিনেমা, উৎসব ভ্রমণ ও নারীজীবন নিয়ে জাগো নিউজের সঙ্গে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।
রটারডাম ঘুরে এসে কেমন লাগলো? প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নেওয়া। নিজের প্রিয় একটা কাজ নিয়ে এত বড় মঞ্চে যেতে পারা নিঃসন্দেহে আনন্দের, বিশেষ করে নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনের সঙ্গে দ্বিতীয়বার কাজ করার সুযোগ হয়েছে।
ফেসবুকে ছবি দেখলাম, অনেক বড়টিম! হ্যাঁ, আমরা পুরো টিম মিলে খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছি। আমার কাছে এটা শুধু একটা ট্যুর ছিল না, বরং কাজের স্বীকৃতিও। আমি সবসময়ই চাই, আমার কাজ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছোক।
ছবিটাকে তাহলে সফল বলা যায়, না? আমার কাছে সাফল্যের অনেক রকম অর্থ আছে, ব্যবসায়িক সাফল্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি কোনো ভালো উৎসবে নির্বাচিত হওয়া বা পুরস্কার পাওয়াও বড় অর্জন।
উৎসবে যারা ‘রইদ’ দেখলেন, তাদের কারও সঙ্গে কথা হয়েছে? আমার ক্যারেক্টারের প্রশংসা করেছে। ভাষা ভিন্ন হলেও গল্প ও অভিনয় তাদের স্পর্শ করেছে, এটা আমার জন্য খুবই আনন্দের বিষয়। দেশি-বিদেশি দর্শক ও সমালোচকদের এই প্রশংসা এবং স্বীকৃতি আমাকে ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা দিয়েছে।
আর নিজে ‘রইদ’ দেখে কেমন লেগেছে? ভালোই লেগেছে (হাসি)। আসলে আগে আমি সিনেমাটা দেখিনি। দর্শকদের সঙ্গে উৎসবেই প্রথমবার সিনেমাটি দেখেছি। সিনেমা শেষে মজার ছলে দর্শকদের বলেছিলাম, আমার পরিচালক এতটাই কঠোর ছিলেন যে, আগে আমাকে সিনেমাটা দেখতে দেননি। সত্যি বলতে, আমি নিজেও খুব একটা জোর করিনি দেখার জন্য। মনে মনে ভেবেছিলাম, যদি পরিচালক নিজে থেকে দেখান, তাহলেই দেখব। যেহেতু তিনি বলেননি, আমিও আর কিছু বলিনি।
রটারড্যাম উৎসবে ‘রইদ’ টিম
তাহলে বলা যায় মন খারাপ করেই দেখতে বসেছিলেন? আমি আসলে সিনেমাটা উৎসবের পরিবেশেই প্রথমবার দেখতে চেয়েছিলাম। কারণ একটি সিনেমার পেছনে আমাদের অনেক পরিশ্রম, মেধা ও সময় জড়িয়ে থাকে। সেই মুহূর্তটাকে আমি এক ধরনের উদযাপন হিসেবে অনুভব করতে চেয়েছি। তাই দর্শকদের সঙ্গে একসঙ্গে বসে দেখার আনন্দটাই আলাদা ছিল।
নিজেকে পর্দায় অন্যের চরিত্রে, সাদুর বউ হিসেবে দেখার অনুভূতি কী? সিনেমা দেখার সময় নিজের চরিত্রের দৃশ্যগুলোতে বারবার শুটিংয়ের স্মৃতিগুলো মনে পড়ছিল। মনে হচ্ছিল, হ্যাঁ, এই দৃশ্যের সময় এমনটাই হয়েছিল, আমরা এভাবেই কাজটা করেছি। পর্দার সামনে আমি একেবারে দর্শকের মতো করেই সিনেমাটা উপভোগ করেছি, সেই সঙ্গে পুরোনো স্মৃতিগুলোও ফিরে ফিরে আসছিল। সব মিলিয়ে খুবই ভালো লেগেছে।
এই দফায় কয়টি দেশ ঘুরলেন? আপনার দেশ ও অন্য দেশের নারীদের মধ্যে স্বাধীনতা বা অন্য কোন কোন ব্যাপারে পার্থক্য লক্ষ্য করেছেন? আমি এবার ইউরোপের মোট তিনটা দেশে গিয়েছি। সেখানে দেখেছি, নারীরা অনেক পরিশ্রমী এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে তারা প্রপারলি ডিসিপ্লিন মেনে চলে। যদিও জীবনযাপন কঠিন, তবু তারা নিজেদের কাজের প্রতি দায়বদ্ধ। এশিয়ার মানুষ সাধারণত আরামপ্রিয় এবং জীবনধারা তুলনামূলকভাবে সহজ। আমাদের দেশে জীবনযাত্রা অতটা নিয়মমাফিক নয়, তবে আমরা অনেক আরাম এবং স্বাধীনতা উপভোগ করি। যদি বেছে নিতে হয়, আমি এশিয়ার কোনো দেশেই থাকতে চাইবো। ইউরোপে ঘুরতে যেতে সত্যিই খুব মজা, তবে দীর্ঘ সময় সেখানে থাকা ডিফিকাল্ট।
অনেকে মনে করছেন অভিনেত্রী হিসেবে আপনি সফল। আপনি কি আসলে সফল? ‘সাফল্য’ আসলে অনেক বড় একটি শব্দ। আমি মনে করি, একজন অভিনেত্রী হিসেবে আমার পথচলা মাত্র শুরু হয়েছে। আমি এখনও শেখার পর্যায়েই আছি। বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের সামনে নানান গল্প তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছি, এটাই আমার কাছে বড় বিষয়। সত্যিকারের সাফল্য বুঝতে সময় লাগে। দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার পরই বোঝা যায় একজন শিল্পী কতটা সফল হতে পেরেছেন। আমি এখনও পথচলার শুরুতে আছি এবং ভালো কাজ করে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।
রায়হান রাফির ‘আন্ধার’ সিনেমার শুটিং করছেন। তার ‘প্রেশার কুকার’ শেষ করলেন। রাফি নির্মাতা হিসেবে কেমন? নির্মাতা হিসেবে রায়হান রাফি সফল। আমার কাজের প্যাটার্ন অনুযায়ী সাধারণত আমি অনেক সময় নিয়ে কাজ করতে অভ্যস্ত। তবে রাফির সঙ্গে পরপর দুটি কাজ হয়েছে অল্প সময়ের ব্যবধানে। সাধারণত একটি কাজ শেষ করতে যে সময় লাগে, সেই সময়ের মধ্যেই দুটি শেষ হয়ে গেছে। আসলে সবকিছুই পরিচালকের কাজের ধরন ও পরিকল্পনার ওপর নির্ভর করে। আমি তো একজন শিল্পী, তাই পরিচালকের কাজের পদ্ধতির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে হয়। যেমন আমি যখন সাদ (নির্মাতা আবদুল্লাহ মোহাম্মাদ সাদ) ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করেছি, তখন তার কাজের ধরণটা আমার জন্য একটু ভিন্ন ছিল, কারণ সেটি আমার কমফোর্ট জোনের বাইরে ছিল। কিন্তু কাজ করতে করতেই আমি সেই পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি।
কার সঙ্গে কাজ করতে বেশি ভালো লেগেছে? প্রত্যেক নির্মাতার কাজের ধরন আলাদা। কেউ একই প্যাটার্নে কাজ করেন না। কিছুদিন কাজ করলেই বোঝা যায় কে কীভাবে কাজ করেন। যেমন রাফির সঙ্গে একভাবে কাজ করতে হয়, আবার সাদ ভাইয়ের সঙ্গে অন্যভাবে। একইভাবে আতিক ভাইয়ের (নুরুল আলম আতিক) কাজের ধরনও আলাদা, আর নিমার্তা সুমনের কাজের ধরনও ভিন্ন। তবে রাফির ক্ষেত্রে একটি বিষয় বলব, তার আগের অনেক কাজের তুলনায় এই দুটি প্রজেক্টে তিনি বেশি সময় দিয়েছেন। একটি সিনেমা করতে যতটা সময় প্রয়োজন, সেই সময়টুকু আমরা পেয়েছি। তাই কাজগুলো খুব সুন্দরভাবে করা সম্ভব হয়েছে।
প্রেশার কুকার মানুষ কেন দেখতে যাবে? আমরা বিভিন্ন ধরনের সিনেমা দেখি, কিন্তু শহরের বাস্তবজীবনকে কেন্দ্র করে সিনেমাটিক উপস্থাপন আমাদের চলচ্চিত্রে কমই দেখা যায়। ‘প্রেশার কুকার’ ছবিতে কসমোপলিটন শহরের জীবনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা দেখা যাবে। শুটিংয়ের সময় আমি দেখেছি, এই শহরের ভেতরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের যে গল্প আছে, সেগুলোর কিছু অংশ সিনেমাটিতে উঠে এসেছে। এখানে শহরের মানুষের ভেতরের গল্প, তাদের অনুভূতি ও বাস্তবতার প্রতিফলন রয়েছে।
এই সিনেমাটির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এখানে নারীর দৃষ্টিকোণ থেকে অনেক বিষয় দেখানো হয়েছে। হাইপারলিংক স্টোরির মাধ্যমে এখানে চারটি আলাদা গল্প তুলে ধরা হয়েছে। সেই গল্পগুলোর মধ্যে নারীর জীবন, তাদের শরীর ও মনের ভেতরের নানা অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতার দিকগুলো উঠে এসেছে। আমার মনে হয়, নারীরা এই গল্পগুলোর সঙ্গে সহজেই নিজেদের মিল খুঁজে পাবেন। তবে এটি শুধু নারীদের জন্য নয়, সব শ্রেণির দেখার মতো একটি সিনেমা। আমি বিশ্বাস করি, দর্শকেরা সিনেমাটি উপভোগ করবেন, আর মেয়েরা হয়তো একটু বেশি রিলেট করতে পারবেন।
আপনি নিজেকে কী মনে করেন, আগে নারী নাকি মানুষ? আমি নিজেকে আলাদা করে নারী বা পুরুষ হিসেবে দেখতে চাই না। সমাজে কিছু জৈবিক ও সামাজিক কারণে নারী-পুরুষের কিছু পার্থক্য করা হয়, কিন্তু আমি নিজেকে সবার আগে একজন মানুষ ভাবতে চাই। আমার কাছে মানুষ হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শুধু মানুষই নয়, পশু-পাখি, গাছ-পালা এবং প্রকৃতির যে শক্তি ও সৌন্দর্য আছে, সেগুলোকেও আমি খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। এই পৃথিবীতে আমরা সবাই একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। তাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, আমি কতটুকু ‘সত্যিকারের মানুষ’ হতে পারছি। কারণ সত্যিকার অর্থে মানুষ হওয়া মোটেও সহজ বিষয় নয়। প্রতিনিয়ত নিজের ভেতর সেই মানবিকতা ধরে রাখা এবং তা চর্চা করাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
নারীদের জন্য আলাদা একটা দিবস আছে, সেটা ঘটা করে উদযাপন করা হয়। পুরুষদের ক্ষেত্রে তেমনটা হয় না। এ নিয়ে আপনার মনে কখনও প্রশ্ন জাগেনি, কেন? আসলে নারী দিবসের মতো আমাদের সমাজে আরও অনেক দিবস আছে, যেমন মা দিবস, বাবা দিবসসহ বিভিন্ন উপলক্ষ। তাই কোনো একটি দিবসকে আলাদা করে দেখার বিষয়টি আমি তেমনভাবে ভাবি না। আমি আবারও বলব, আমি নারী-পুরুষকে আলাদা করে দেখতে চাই না। তবে এটা সত্য যে, দীর্ঘ সময় ধরে পৃথিবীর অনেক জায়গায় নারীরা এক ধরনের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থেকেছে। সেই জায়গা থেকে নারীদের আরও বেশি সোচ্চার ও শক্তভাবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করা প্রয়োজন। এই অবস্থান শুধু পোশাক বা বাহ্যিক স্বাধীনতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটা চিন্তা-চেতনা, মনন ও জীবনের সব ক্ষেত্রেই হওয়া দরকার। অনেক সময় দেখা যায়, জীবনের নানান অভিজ্ঞতার মধ্যদিয়ে চলতে চলতে অনেক নারী নিজেরাই অনেক শক্ত ও দৃঢ় হয়ে ওঠেন। তাই আমি মনে করি, নারী-পুরুষ আলাদা করে দেখার চেয়ে আমাদের সবার আগে মানুষ হওয়াটাই সবচেয়ে জরুরি।
নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। এই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের জন্য কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার কথা আপনার মাথায় আসে। আমার মনে হয়, আমাদের সমাজে শিক্ষার একটি বড় ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি অনেক জায়গায় ধর্মীয় গোঁড়ামিও বেড়ে গেছে, যার কারণে মানুষ একে অপরের প্রতি সহনশীলতা হারিয়ে ফেলছে। এই মানসিকতা বদলানো খুব জরুরি। এ ধরনের সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকেই বড় ধরনের উদ্যোগ নিতে হবে। শিক্ষা, সচেতনতা এবং আইনের সঠিক প্রয়োগ, এই বিষয়গুলোতে আরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। আমার মনে হয়, আমরা এখনো সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে পুরোপুরি স্থিতিশীল বা পরিপক্ব অবস্থায় পৌঁছাতে পারিনি। তাই এসব বিষয় সমাধানের জন্য সমাজ, রাষ্ট্র এবং মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন, সবকিছু মিলিয়েই কাজ করতে হবে।
আপনার জীবনের অনুপ্রেরণার নারীরা কারা? কেন? আমার জীবনের অনুপ্রেরণা শুধু নারীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। অনেক মানুষ আমাকে বিভিন্নভাবে অনুপ্রাণিত করেন। যেমন শিল্পী এস এম সুলতান আমাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেন। তার শিল্পচিন্তা ও জীবনদর্শন আমাকে ভাবতে শেখায়। একইভাবে মেক্সিকান শিল্পী ফ্রিদা কাহলোর জীবন ও কাজও আমাকে ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করে। এ ছাড়া সমাজসংস্কারক বেগম রেকেয়ার চিন্তা, সংগ্রাম এবং নারীদের শিক্ষা ও অধিকার নিয়ে তার কাজ আমাকে অনুপ্রেরণা দেয়। দেশে এবং দেশের বাইরে এমন অনেক মানুষ আছেন, যাদের জীবন, কাজ ও ভাবনা আমাকে প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করে। তাই বলতে গেলে, আমার অনুপ্রেরণার তালিকা বেশ বড়, অনেক মানুষের কাছ থেকেই আমি শেখার চেষ্টা করি।
আপনার সিনেমা এতদিন আটকে থাকে কেন? আমার কোনো সিনেমাই আসলে আটকে নেই। একটি সিনেমা মুক্তি পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট একটি প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে যেতে হয়। কখনো কোনো সিনেমা আগে দেশে মুক্তি পায়, আবার কখনো কোনোটি আগে বিদেশে মুক্তি পায়। অনেক সময় কোনো সিনেমা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়, তারপর দেশে মুক্তি পায়। এসব কারণেই কখনো কখনো সিনেমার মুক্তি একটু আগে-পরে হয়। শিল্পী হিসেবে আমিও চাই, আমার কাজগুলো দ্রুত মুক্তি পাক এবং দর্শক যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেগুলো দেখুক। তবে একটি ভালো সিনেমা তৈরি করতে এবং সেটিকে সঠিকভাবে দর্শকের সামনে আনতে কিছুটা সময় লাগে। আশা করি, এখন থেকে নিয়মিত আমার কাজগুলো দর্শকের সামনে আসবে এবং দর্শকেরা সেগুলো উপভোগ করতে পারবেন।
ঈদ করবেন কোথায়, কী কিনেছেন? এই ঈদে আমি ঢাকায় থাকব। বিদেশ থেকে ফিরেছি। এখন ঢাকার বাইরে সিনেমার শুটিং করছি। শুটিং শেষ করে ঢাকায় ফিরে ‘প্রেশার কুকার’ সিনেমার প্রমোশনে যোগ দেবো এবং নতুন আরেকটি সিনেমার জন্য প্রস্তুতি নেবো। এর মধ্যে ঈদের কেনাকাটাও সামলে নেবো।
আগে নায়িকারা গোপনে প্রেম-বিয়ে করতো, এখন আর করে না। আপনার পছন্দ কোনটি গোপনে না ওপেনে … (হাসি…) আমার পছন্দ সবকিছুই ওপেনে থাকা ভালো। কেন আগে গোপনে করতো, সেটা আমি জানি না। আমার মনে হয়, যদি কোনো সম্পর্ক সত্য ও সঠিক হয়, তবে তা প্রকাশ করা উচিত। গোপন রাখার কোনো প্রয়োজন নেই।
এমআই/আরএমডি