গণমাধ্যম

দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় ডিআরইউয়ের নিন্দা

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) স্থায়ী সদস্য দৈনিক সমকালের সিনিয়র রিপোর্টার কামরুল হাসান এবং সময় টিভির বিশেষ প্রতিনিধি প্রসূন আশীষের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছেন ডিআরইউ।

সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এ নিন্দা জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে তারা বলেন, দু’জন পেশাদার সাংবাদিকের ওপর প্রকাশ্য দিবালোকে এ ধরনের হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। তারা অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

সাংবাদিক কামরুলের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৯ মার্চ) বিকেল আনুমানিক ৩টা ৩০ মিনিটের দিকে কামরুল হাসান মোটরসাইকেলযোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) থেকে তার কর্মস্থল তেজগাঁওস্থ দৈনিক সমকাল অফিসে যাওয়ার পথে রমনা মডেল থানার সেগুনবাগিচা এলাকায় হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় (এজি) অফিসের দক্ষিণ গেটের সামনে পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তি তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মেরে শারীরিকভাবে আঘাত করে এবং তার প্যান্টের পকেট থেকে নগদ ৩৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। ঘটনাস্থলে ‘সোবান আল্লাহ’ নামের একটি বাস দাঁড়িয়ে ছিল বলে জানা গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হামলাকারীরা ওই বাসের স্টাফ বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হতে পারে। পরে জানা যায়, বাসটি এজি অফিসের কর্মচারীদের যাতায়াতের কাজে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়া, গত রোববার (৮ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সংগ্রহ শেষে ফেরার পথে বিদ্যুৎ ভবনের সামনে ট্রাফিক সিগন্যালে আটকে পড়ে সময় টিভির গাড়ি। এ নিয়ে ট্রাফিক সার্জেন্টের সঙ্গে কথা বলার ফাঁকে হামলার ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিগন্যাল ছাড়লে গাড়ি চলতে শুরু করে, হঠাৎ ট্রাফিক সার্জেন্ট গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেন। এ সময় চালক হর্ন বাজালে উত্তেজিত হয়ে পড়েন সেই ট্রাফিক কর্মকর্তা। পুরো ঘটনাটি মোবাইলে ধারণ করছিলেন পথচারীদের একজন। সেই দৃশ্য ধারণে বাধা দিতে গিয়ে হঠাৎ মব তৈরি করে সময় সংবাদের বিশেষ প্রতিনিধি প্রসূন আশীষ এর ওপর সরাসরি হামলা চালায় এক যুবক।

এনএইচ/এমআরএম