একটা সময় ওয়ানডেতে নিয়মিত দাপট দেখাতো বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল; কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এ সংস্করণে টাইগারদের পারফরম্যান্সের গ্রাফ নিম্নমুখি। এর পিছনে মিডল অর্ডারে ব্যর্থতাকেই অন্যতম কারণ হিসেবে ধরেন ক্রিকেটবোদ্ধারা।
এই পজিশনে কয়েকজনকে চেষ্টা করলেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি। গত সিরিজে টপ অর্ডার থেকে লিটন কুমার দাসকে নামানো হয়েছে মিডল অর্ডারে। আফিফ হোসেনকেও ফেরানো হয়েছে দলে। লিটন কিছুটা ভালো করলেও আফিফ ব্যর্থ হয়েছেন।
সবমিলিয়ে মিডল অর্ডার নিয়ে চিন্তা যেন যাচ্ছেই না। এর মধ্যে গুঞ্জন উঠেছে, প্রায় দুই বছর আগে অবসর নেওয়া মুশফিকুর রহিমকে দলে ফেরাতে চান ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। যদিও বুধবার সংবাদ সম্মেলনে হেড কোচ ফিল সিমন্স এ বিষয়ে পরিস্কার কিছু বলেননি।
বুধবার সংবাদ সম্মেলনে সিমন্সের কাছেও মুশফিককে ফেরানোর বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। উত্তরে তিনি বলেন, ‘মুশফিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে সে টেস্ট ক্রিকেটে মনোযোগ দেবে। সে ১০০ ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করেছে, যা দারুণ অর্জন। ভবিষ্যতে কী হয় তা দেখা যাবে।’
ঘরোয়া ক্রিকেটে টপ অর্ডারে ব্যাটিং করার পর জাতীয় দলে এসে নীচে নেমে যাওয়াটা প্রত্যেকের জন্য চ্যালেঞ্জিং। এ প্রসঙ্গে সিমন্স বলেন, ‘আমাদের প্রায় সব ব্যাটারই ঘরোয়া ক্রিকেটে টপ অর্ডারে ব্যাটিং করে। কিন্তু যখন তারা এখানে আসে, তাদের বিভিন্ন পজিশনে মানিয়ে নিতে হয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বড় বিষয় হলো- পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়া, ঘরোয়া ক্রিকেটে কী করেছেন তা নয়।’
তবে মিডল অর্ডারে উন্নতির কথা জানিয়ে সিমন্স বলেন, ‘আমাদের খেলার প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নতির জায়গা আছে, বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে। টপ অর্ডার থেকে শুরু করে ৫, ৬, ৭ এবং ৮ নম্বর পর্যন্ত উন্নতির অনেক সুযোগ আছে এবং আমরা ক্রমাগত উন্নতির চেষ্টা করছি। শেষ ১০ ওভারে আমরা ভালো করছি, যেমনটা পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে আমরা ৮০ রান তুলেছিলাম।’
এসকেডি/আইএইচএস/